গণপতি চক্রবর্তী হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে: ত্রাণমন্ত্রী
রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হতো বলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে জানতে পেরেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এরই মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, হত্যাকাণ্ডটির অধিকতর তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনগণকেও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী, পরিবহনকারী ও সেবনকারীদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার এবং এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। পাড়া-মহল্লা থেকে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতির কথা উল্লেখ করে আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রামিশা হত্যা মামলায় দ্রুত চার্জশিট দেওয়া হয়েছে এবং বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। একইভাবে এলাকায় নন্দিনী নামের এক শিশুকে হত্যার মামলার বিচারও ১৫ দিনের মধ্যে শেষ হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Comments