ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, হস্তক্ষেপে দেশে দেশে অস্থিরতা
'ধন্যবাদ সবাইকে। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।'– এভাবেই মার্কিন কংগ্রেসের ক্যাপিটল ভবনে কয়েকশ অতিথির সামনে প্রেসিডেন্ট হিসেবে উদ্বোধনী ভাষণ শুরু করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই ভাষণেই তিনি বলেছিলেন, 'এবার আমি শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী ও ঐক্যের সাধক হতে চাই।'
দিনটি ছিল গত বছরের ২০ জানুয়ারি। ভাষণটির এক বছর পূর্ণ হতে এখনও ১০ দিন বাকি। এর মধ্যেই ১১টি দেশে সামরিক অভিযানের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাতটি দেশে তাঁর নির্দেশে বোমা হামলা হয়েছে। কঠোর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছেন ৯০টির বেশি দেশে। অভিবাসন ঠেকাতে ৩৮ দেশের নাগরিকদের পূর্ণ ও আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছেন।
'শান্তির দূত' আর 'ঐক্যের সাধক' হতে চাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপে দেশে দেশে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। বিভাজন দেখা দিয়েছে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে। যেটির সর্বশেষ উদাহরণ ভেনেজুয়েলা। জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে সামরিক হামলা চালিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে। সামরিক আগ্রাসনের হুমকির মুখে আছে ইরান, গ্রিনল্যান্ড, কলম্বিয়া, কিউবা ও মেক্সিকো। সব শেষ সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে চীন ও ভারতের পণ্যে।
একের পর এক হুমকি ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, ভেনেজুয়েলার মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন দেখিয়ে দিয়েছে, তারা আর এসব বিষয়ের তোয়াক্কা করে না। ট্রাম্প নিজেও রাখঢাক না রেখে আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে তাঁর নেওয়া আগ্রাসী নীতিগুলো নিয়ন্ত্রণে তাঁর 'নিজস্ব নৈতিকতাই' যথেষ্ট। নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই। আমি মানুষকে আঘাত করতে চাই না।' আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা উচিত কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'বিষয়টি নির্ভর করে আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা আপনি কীভাবে দিচ্ছেন তার ওপর।'
এমন বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প তাঁর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে কঠোর সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এমন বেপরোয়া মনোভাব আগ্রাসনের শঙ্কায় থাকা দেশগুলোকে অস্থির করে তুলেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্ররাও এখন উদ্বিগ্ন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ন্যাটোভুক্ত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলায় ইউরোপেও অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করে, তবে ডেনিশ সেনারা আগে গুলি চালাবে এবং পরে প্রশ্ন করবে।
এ ছাড়া জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বিশ্বের নিষ্ঠুরতম মানুষেরা নিজেদের ইচ্ছেমতো সবকিছু দখল করে নেবে। এমন পরিস্থিতিকে ডাকাতের আস্তানা হিসেবে উল্লেখ করে এর হাত থেকে বিশ্বব্যবস্থাকে বাঁচানোর জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন রাজনীতি বিশ্লেষক ড্যানিয়েল ডব্লিউ ড্রেজনার 'দ্য শিকাগো কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের' নিবন্ধে লিখেছেন, এ ধরনের হুমকি বাস্তবেও কাজ করতে পারে। যেসব দেশের পেছনে কোনো বড় শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা নেই, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক চাপের কাছে আরও নতি স্বীকারে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে। এ অবস্থায় তুলনামূলক দুর্বল দেশের নেতাদের উচিত বড় শক্তির সঙ্গে নিজেদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ানো।
লাতিনে গন্ডগোল
ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসনের পর দেশটি পরিচালনার কথা বলেছেন ট্রাম্প। দখলে নিতে চেয়েছেন তেল ভান্ডার। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে তেলের মজুতের পরিমাণ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ব্যারেল। বিশ্বে যা এককভাবে সর্বোচ্চ এবং মোট মজুতের ১৭ শতাংশ। ফলে এখানে মার্কিন হস্তক্ষেপ আঘাত হেনেছে আরেক পরাশক্তি চীনের স্বার্থে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, বিলিয়ন ডলার ঋণ আর বছরের পর বছর ধরে চেষ্টায় মাদুরো প্রশাসনের সঙ্গে চীন রাজনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। কিন্তু ট্রাম্প আগ্রাসন চালিয়ে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক আধিপত্য ভাঙার চেষ্টা করছে।
দুই দশক আগে এই অঞ্চলে প্রায় কোনো ব্যবসা না করলেও, ২০২৪ সালে চীনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের মূল্য ছিল ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। চীনা খনন কোম্পানিগুলো পেরু থেকে তামা এবং আর্জেন্টিনা থেকে লিথিয়াম আহরণ করে। চীনের কৃষি সংস্থাগুলো ব্রাজিল থেকে সয়াবিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানি করে। চীনা বিদ্যুৎ সংস্থাগুলো এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এ ছাড়া এই অঞ্চলে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের বেশির ভাগ অবকাঠামো ও বন্দরও নিয়ন্ত্রণ করে চীন।
লাতিন আমেরিকার ৬৭ কোটি ভোক্তাও চীনা ব্র্যান্ডের পণ্য কেনে। মেক্সিকোতে ডিলারশিপগুলো গ্যাসোলিনচালিত চেরি গাড়ি এবং এমজি সেডান বিক্রি করছে। ব্রাজিলে ফাস্টফুড চেইন মিক্সু আইসক্রিম বিক্রি করছে, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম 'মেইটুআন' খাবার পৌঁছে দিচ্ছে এবং রাইড শেয়ারের সার্ভিস 'ডিডি' যাত্রী পরিবহন করছে। পেরুতে জনপ্রিয় চীনা মোবাইল ব্র্যান্ড শাওমির স্মার্টফোন।
এ অবস্থায় মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন একের পর এক লাতিন অঞ্চলের দেশগুলোকে হুমকি দিচ্ছেন; তখন চীন বলছে, তারা বিষয়টি নজরে রাখছে। আর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো বলেছেন, এমন চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্র শাসন করার বদলে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
গত বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে হুমকি দিয়ে বলেছেন, 'মেক্সিকোর ভূখণ্ডে ড্রাগ কার্টেলগুলোর লক্ষ্য করে স্থল অভিযান শুরু করা হবে।' এ অবস্থায় মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম বিদেশি অভিযান থেকে সুরক্ষা শক্তিশালী করার জন্য সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মেক্সিকোর মাটিতে কোনো মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সহ্য করা হবে না।
লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ভেনেজুয়েলা আর কিউবা বাণিজ্য ও রাজনৈতিক আদর্শগত কারণে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে। ওয়াশিংটনের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক আর্মস্ট্রং সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে বলেছেন, ট্রাম্পের হুমকির মুখে কিউবার চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা অনেকটাই স্পষ্ট। তবে চীন কখনও কিউবার পৃষ্ঠপোষক হওয়ার ইচ্ছা দেখায়নি। অন্যদিকে রাশিয়া ১৯৬০-এর দশক থেকে কিউবার প্রধান সমর্থক ছিল। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে সঙ্গে এই সমর্থন কমে গেছে।
ইউরোপে গ্রিনল্যান্ড সংকট
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ডের ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন ও রাশিয়ার নৌ তৎপরতার এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময় জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছেন। ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসনের পর তাঁর সে দাবি জোরালো হয়েছে।
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে সম্প্রতি বিশেষ দূতও নিয়োগ দিয়েছে হোয়াইট হাউস। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও আছে। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করে, তবে ডেনিশ সেনারা আগে গুলি চালাবে। ১৯৫২ সালের একটি আইনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো অনুপ্রবেশকারীকে প্রতিহত করতে সেনারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশের অপেক্ষা করবে না।
ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চাওয়ায় জটিলতা দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোতে। ডেনমার্কসহ এই জোটের বেশির ভাগ সদস্যই ইউরোপের। ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫ অনুযায়ী, একটি দেশ আক্রান্ত হলে বাকিরাও নিজেদের ওপর হামলা হয়েছে ধরে নিয়ে প্রতিহতের চেষ্টা করবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রাধীন ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালালে জোটের বাকি সদস্যরা কীভাবে সাড়া দেবে, তা নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
ইউরেশিয়া বিশেষজ্ঞ এবং চ্যাথাম হাউসের সদস্য কির জাইলস আলজাজিরাকে বলেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডে সশস্ত্র আগ্রাসন ইউরোপের জন্য দ্বিগুণ ক্ষতিকর হবে। কারণ এটি ইউক্রেনে পুতিনের সুবিধার জন্য কাজ করবে।' তিনি আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ডে আগ্রাসনের অর্থ হবে মস্কোকে ট্রাম্পের দেওয়া সম্ভাব্য সবচেয়ে বড় উপহার। এ অজুহাতে রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর আরও বৈধতা পাবে।
এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা
তাইওয়ানকে নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে চীন। কিন্তু প্রযুক্তি খাতে সুবিধার স্বার্থে তাইপের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে এক হাজার ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে, যা তাইওয়ান ঘিরে বেইজিংয়ের সন্দেহকে আরও প্রকট করেছে।
তাইওয়ান ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে সেমিকন্ডাক্টর ও চিপ। ফলে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দাপট ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। কিন্তু চীনও পিছিয়ে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ান ঘিরে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালিয়েছে। আর খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, 'তাইপেকে বেইজিংয়ের সঙ্গে ফের একত্রীকরণ করা হবে। এটি অনিবার্য, যা ঠেকানো সম্ভব নয়।' চীন বাস্তবে এমনটা করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অঞ্চলটিতে সংঘাতের সূচনা হতে পারে।
ট্রাম্প প্রশাসনের হস্তক্ষেপ থেকে বাদ যায়নি আফ্রিকার দেশও। 'খ্রিষ্টানদের ওপর গণহত্যা চলছে'– এমন যুক্তি দিয়ে সম্প্রতি দেশটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লক্ষ্যবস্তু ছিল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আস্তানা। গত মাসে তিন সেনা নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় হামলা চালানো হয় এশিয়ার দেশ সিরিয়ায়ও।
আর মধ্যপ্রাচ্যেও প্রভাবশালী দেশ ইরানকে রীতিমতো চাপে রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে হুমকি দেওয়া হয়েছে তেহরানকে। গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফা হুমকিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, 'ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে খুব কঠোরভাবে আঘাত হানবে।'
একের পর এক হুমকি ও সামরিক হস্তক্ষেপে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিভিন্ন দেশে হামলা, আগ্রাসন বা চাপ প্রয়োগে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনসহ অন্য সব ধরনের বিষয়কে তিনি গুরুত্ব দেন না। এসব ক্ষেত্রে তাঁকে থামাতে পারে কেবলই তাঁর নিজের নৈতিকতা ও বিবেক।
Comments