শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাবের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাছহাট গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই গ্রামের একটি মহিলা মাদরাসার পরিচালক।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। গত বছরের ২ নভেম্বর মাদরাসা ছুটির পর অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ শিশুটিকে মসজিদ ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেন। অন্য সবাই চলে যাওয়ার পর ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজ কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন।
দীর্ঘদিন পর শিশুটির মা বাড়িতে ফিরে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ করেন। পরে ডাক্তারি পরীক্ষায় জানা যায়, শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, র্যাবের হাতে আটক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, মামলার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক ছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের ঠিক আগের দিন তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন। এছাড়া ভুক্তভোগী শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও জনরোষের সৃষ্টি হয়।
Comments