বর্তমানে উত্তরবঙ্গ দেশের খাদ্যভান্ডার, রাজশাহীতে কৃষি সচিব

রাজশাহী বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া। রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার বিএমডিএ কর্তৃক বাস্তবায়িত 'বরেন্দ্র এলাকায় খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারন -২য় পর্যায়' প্রকল্পের সেচ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এসময় কৃষি সচিব বলেন, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সহায়তা ও কৃষির ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আগে এখানে এক ফসল হলেও এখন মিনিমাম তিনটি ফসল হয়। এটা একটা বড় অর্জন। একসময় বরেন্দ্র অঞ্চলে মানুষের খাদ্যের হা হা কার ছিল। মঙ্গা ছিল। এখন এইখানকার মানুষের খাদ্য তো বটে, সারাদেশ ছাড়া এখন অন্যান্য দেশে আমরা মানুষকে খাদ্য দিয়ে থাকি। আমরা নির্ভর করি রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ফসলের উপর। উত্তরবঙ্গের ফসল সারাদেশের মানুষকে খাদ্য দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, এক সময় দক্ষিণবঙ্গ ছিল খাদ্যের ভান্ডার, এখন উত্তরবঙ্গ হয়েছে খাদ্যের ভান্ডার। এইটাকে আমরা আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। কৃষি বিভাগ কৃষি মন্ত্রণালয় তথা বরেন্দ্রসহ যত রকমের প্রকল্প রয়েছে কৃষির এক্সটেনশনের যে বিষয়গুলো রয়েছে সম্প্রসারণসহ আমরা নানা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এই এলাকার জন্য অনেকগুলো প্রকল্প আছে, আমরা হাতে নিয়েছি। এই এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নসহ কৃষি আরো সমৃদ্ধ হবে। এ কৃষির মাধ্যমে আমরা খাদ্যের চাহিদা, নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টির খাদ্যের চাহিদা নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ। সমস্যাগুলো আমরা দেখতে এসেছি, সমস্যাগুলোর আলোকে বাস্তবতার ভিত্তিতে আমরা প্রকল্প নেব।
আশা করি এই এলাকার কৃষির যে সমস্যা আছে, সেগুলোর সমাধান করতে পারবো। এবং এলাকার মানুষ সুফল পাবে।সা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সার নিয়ে আমাদের সচেতনতা লাগবে। সার কিন্তু পর্যাপ্ত আছে এবং কৃষক পাচ্ছে। মানুষের ব্যবহারের মধ্যে একটু সচেতনতার অভাব আছে। আমরা কৃষকদের বোঝানোর চেষ্টা করছি একটি জমিতে কি পরিমান সার আসলে প্রয়োজন। আমরা একটি খামারি অ্যাপ চালু করেছি। সে জমির কন্টেস্ট অনুযায়ী কৃষক কি ধরণের কতটুকু সার ব্যবহার করতে পারবে সেটি জানতে পারবে। অতিরিক্ত সার দেয়া মানে জমির জন্য ক্ষতি এবং কৃষকের অর্থের অপচয়।
এসময় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক তারিকুল আলম (অতি:সচিব), অতি: সচিব মীর্জা আসরাফুল রহমান, একান্ত সচিব মাকসুদুল ইসলাম, অতি:প্রধান প্রকৌশলী শামসুল হোদা, প্রকল্প পরিচালক ও অতি. প্রধান প্রকৌশলী ড. আবুল কাসেম, সহ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
Comments