মালয়েশিয়ার আতিথেয়তায় আমি ও আমার স্ত্রী গভীরভাবে অভিভূত: প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় ১৮ ঘণ্টার অত্যন্ত সফল ও সংক্ষিপ্ত সফর শেষে দেশটির সরকার এবং জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার রাজকীয় আতিথেয়তা ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় তিনি এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান গভীরভাবে অভিভূত হয়েছেন বলে এক বিশেষ বার্তায় জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো এই ধন্যবাদ বার্তাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ধন্যবাদ বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, "আমার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আমি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাঁর সহধর্মিণী ড. ওয়ান আজিজা বিনতি ওয়ান ইসমাইলকে তাঁদের অবিশ্বাস্য উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানাই। মালয়েশিয়া সরকার এবং তার বন্ধুভাবাপন্ন জনগণ যে সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করেছে, তাতে আমরা গভীরভাবে অভিভূত। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আমার ফলপ্রসূ আলোচনা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও দৃঢ় করেছে।"
মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বহু দশকের পুরনো কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বার্তায় আরও বলেন, "আমার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময় থেকেই দুই দেশের এই চমৎকার সম্পর্ক বজায় রয়েছে।" এর পাশাপাশি, ব্যস্ততার মধ্যেও বিশেষ বৈঠক ও সময় দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত মূল্য দেয়। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার শক্তিশালী বন্ধন উভয় রাষ্ট্রকে একসূত্রে আবদ্ধ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার প্রাক্কালে তিনি জানান, আগামীতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বহুমুখী অংশীদারত্বকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছেন।
Comments