সচিবদের ইংরেজি শিখতে থাইল্যান্ড পাঠানোর খবর ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক’: বিয়াম
'ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়'—শীর্ষক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে 'গুরুতর অসত্য' ও 'বিভ্রান্তিমূলক' বলে প্রত্যাখান করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম)। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
বিয়ামের পক্ষ থেকে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট করতে ৩টি মূল পয়েন্ট তুলে ধরা হয়েছে:
বিয়াম জানায়, এটি মূলত সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি সুপরিকল্পিত প্রকল্প। 'বিয়ামের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ' শীর্ষক এই প্রকল্পের আওতায় তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই প্রশিক্ষণের ইংরেজি দক্ষতা অংশটি ইতিমধ্যেই দেশে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে ভ্রমণের গন্তব্য হিসেবে থাইল্যান্ডের 'পাতায়া' উল্লেখ করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে বিয়াম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: প্রশিক্ষণের বৈদেশিক অংশটি আগে যুক্তরাজ্যে হওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ইউরোপের পরিবর্তে এখন এশিয়ার (থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়া) কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরিকল্পনা চলছে। কোনো পর্যটনকেন্দ্রিক উদ্দেশ্যে এই সফর নয়, বরং এটি একটি নিবিড় প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ।
বিয়াম আরও স্পষ্ট করেছে যে, এই প্রস্তাবটি এখনও চূড়ান্ত নয় এবং এটি অনুমোদনের জন্য একনেক (ECNEC)-এ পাঠানো হয়নি। এটি বর্তমানে প্রাথমিক বিবেচনার পর্যায়ে রয়েছে।
বিয়াম ফাউন্ডেশন মনে করে, পূর্ণাঙ্গ ধারণা ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিয়ামের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য বিব্রতকর। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, একটি ইতিবাচক উদ্যোগকে পর্যটনকেন্দ্রিক হিসেবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত।
Comments