সামনে ঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে: বিএনপি সংসদ সদস্য
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ এবং প্রশাসনের একশ্রেণির কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতার তীব্র সমালোচনা করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। প্রশাসনের একটি প্রভাবশালী অংশ সরকারকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে অভিযোগ করে তিনি সতর্ক করেছেন যে, এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
গত শুক্রবার রাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর পর্যন্ত টানা ৩২ ঘণ্টার তীব্র যানজটে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। অ্যাম্বুলেন্সে আটকে থেকে রোগীর মৃত্যুর পাশাপাশি অনেক প্রবাসী সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে না পেরে ফ্লাইট মিস করেন। এই দুর্ভোগের কারণ অনুসন্ধানে জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের সঙ্গে কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং হাইওয়ে পুলিশের এক ভার্চুয়াল সভায় কর্মকর্তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বা দায়বদ্ধতা দেখা যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান সভায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান যে, সেতু সংস্কারের আগে আগাম গণবিজ্ঞপ্তি বা সংবাদমাধ্যমে প্রচার চালানো হলে যাত্রীরা বিকল্প পথ ব্যবহার করতে পারতেন এবং এই ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়ানো যেত। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এমন সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহির অভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।
শাহাদাত হোসেন সেলিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনও পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ওত পেতে আছে এবং তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করছে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, সরকারকে সতর্ক করতেই তিনি বারবার বিষয়টি তুলে ধরছেন এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অপরাধে এসব দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
Comments