সিপিডির নতুন নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ, সম্মানীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন
দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-এর (সিপিডি) নতুন নির্বাহী পরিচালক (ইডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর এই নিয়োগ কার্যকর হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সিপিডির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। তিনি সংস্থাটির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
অন্যদিকে, আরেকটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ফাহমিদা খাতুন সিপিডির ডিস্টিংগুইশড ফেলো বা সম্মানীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর সফলতার সঙ্গে নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পর তিনি এই নতুন পদে যোগ দিচ্ছেন। এর ফলে তিনি সিপিডির সম্মানীয় ফেলোদের তালিকায় অধ্যাপক রওনক জাহান, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এবং অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যুক্ত হবেন। (উল্লেখ্য, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও মোস্তাফিজুর রহমানও অতীতে সিপিডির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন)।
২০০৩ সাল থেকে সিপিডির সঙ্গে যুক্ত থাকা ড. ফাহমিদা খাতুন ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন। তাঁর সুদীর্ঘ ও সফল মেয়াদে সংস্থাটির গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন জোরদার হয়েছে।
সিপিডিতে যোগ দেওয়ার আগে ড. নাজনীন আহমেদ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ইউএনডিপি) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউএনডিপি বাংলাদেশের 'কান্ট্রি ইকোনমিস্ট' এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কে ইউএনডিপির 'রিজিওনাল ব্যুরো ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক'-এর নীতি উপদেষ্টা ছিলেন।
এছাড়াও, তিনি দেশের শীর্ষ অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (বিআইডিএস)-এ গবেষণা সহযোগী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে দীর্ঘ ২৫ বছর গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন।
সামষ্টিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ড. নাজনীন আহমেদের দীর্ঘ গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও কর্মসংস্থান, সুশাসন ও লিঙ্গ সমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।
Comments