বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক ও গভীর হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী দিনে একে আরও শক্তিশালী করতে উভয় দেশ কাজ করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতা, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং অভিবাসন খাতের সার্বিক ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শুধু সরকারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নয়, দেশের বেসরকারি খাতের মাধ্যমেও বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়কে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার বড় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিত মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে। সংকট সমাধানে মার্কিন সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতি অনুসারে, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মার্কিন তুলা বা ম্যান-মেইড ফাইবার ব্যবহার করলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও সুবিধাজনক প্রবেশাধিকার (ট্যারিফ কোটা ব্যবস্থা) পাওয়া যাবে, যা বাংলাদেশসহ মাত্র কয়েকটি দেশ লাভ করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আজকের বৈঠকে আওয়ামী লীগ, অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, মানবিক করিডোর, র্যাবের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কিংবা মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির মতো নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা সংবেদনশীল বিষয়ে আলোচনা হয়নি।
আগামী ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন ড. খলিলুর রহমান। এ বিষয়ে মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনার অধীন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
Comments