চিপ যুদ্ধের যুগে বাংলাদেশ: সেমিকন্ডাক্টরে ১ বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন ও বাস্তবচিত্র
গত ২৬ জুলাই ২০২৬, ঢাকার তেজগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে আয়োজন করা হয়েছে প্রযুক্তি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্মেলন—'ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, এআই ও রোবোটিক্স (BEAR) সামিট ২০২৬'। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (BSIA) এবং 'সিলিকন রিভার' উদ্যোগের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি কেবল মুখের কথার কোনো অনুষ্ঠান নয়; তৈরি পোশাক (RMG) খাতের বাইরে গিয়ে আমাদের অর্থনীতির জন্য বেশি আয়ের বিকল্প পথ খোঁজার এটি একটি বড় পদক্ষেপ। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF) সহ বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার উপাত্ত বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্বয়ংক্রিয় গাড়ি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির দ্রুত বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন (১,০০০ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মঞ্চে আজ চিপের বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা চলছে, যাকে বলা হচ্ছে 'চিপ ওয়ার' (Chip War)। এই পরিস্থিতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন (১,০০০ কোটি) ডলারের চিপ ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা রপ্তানির জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করা সময়ের মতোই সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে শুধু আবেগ দিয়ে তো আর কাজ হবে না, আমাদের সঠিক হিসাব করা দরকার—বিশ্ববাজারের তুলনায় আমাদের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ঘাটতি কোথায়, অতীতে আমাদের ভুলগুলো কী ছিল এবং 'সবার আগে বাংলাদেশ' ভাবনায় সরকার ও স্থানীয় শিল্প খাতের আগামী দিনের কৌশল কেমন হওয়া উচিত।
বৈশ্বিক বাজার ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তব অবস্থান
আধুনিক বৈশ্বিক অর্থনীতির মূল প্রাণশক্তি বলা চলে এই সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ খাতকে। বর্তমানে এই বিশ্ববাজারের আকার প্রায় ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু বৈশ্বিক এই বিশাল কেনাবেচায় বাংলাদেশের সরাসরি ভাগ এখনো অনেক কম।
বাংলাদেশের সরাসরি রপ্তানি আয়: আমাদের দেশ থেকে বর্তমানে চিপ ডিজাইন (Fabless IC Design বা ফ্যাবলেস নকশা), ভেরিফিকেশন এবং এম্বেডেড সিস্টেম খাত থেকে বছরে মাত্র ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন (৮০ লাখ থেকে ১ কোটি) ডলারের মতো রপ্তানি আয় আসছে।
প্রকৌশলী ও মানবসম্পদ: বর্তমানে আমাদের উল্কাসেমি, নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর, প্রাইমসিলিকন ও সিলিকনোভা-র মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ জন দক্ষ চিপ ডিজাইনার বা ভিএলএসআই (VLSI) প্রকৌশলী কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। তারা সরাসরি বিশ্বখ্যাত অ্যাপল (Apple), এএমডি (AMD), কোয়ালকম ও গ্লোবালফাউন্ড্রিজের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করছেন।
বিশাল অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও বৈশ্বিক মুদ্রার চাপ: আমাদের সরাসরি চিপ রপ্তানি কম হলেও দেশের ভেতরের বাজারে কিন্তু চিপের পরোক্ষ ব্যবহার বিশাল। বর্তমানে বাংলাদেশে তৈরি হওয়া মোট টিভির ৯০ শতাংশ, এয়ার কন্ডিশনারের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ এবং সার্বিক ইলেকট্রনিক্স চাহিদার ৮০ শতাংশ স্থানীয় প্রস্তুতকারকরা মেটাচ্ছেন। স্মার্টফোন, স্মার্ট মিটার, গাড়ি এবং নানা পদের ইলেকট্রনিক সামগ্রী মিলিয়ে দেশে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ বিলিয়ন (১৫০ কোটি) ডলার মূল্যের চিপ বিদেশ থেকে কিনে এনে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভেতরের চাহিদার ৯৯ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর হওয়ায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ দেশের নিজস্ব এই পরোক্ষ চাহিদাই ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
ভারত ও ভিয়েতনামের সাফল্য বনাম বাংলাদেশের ব্যর্থতা: আমাদের কমতি কোথায় ছিল?
আজ যখন ভারত ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো সেমিকন্ডাক্টর খাতে কোটি কোটি ডলারের বৈশ্বিক বিনিয়োগ টেনে আনছে, তখন আমরা কেন পিছিয়ে পড়লাম—এই প্রশ্নটা তোলা এখন খুব জরুরি। আমাদের অদক্ষতা ও দুর্বলতার জায়গাগুলো দেখা দরকার:
১. ভিয়েতনামের কৌশলগত সিদ্ধান্ত: ভিয়েতনাম শুরুতেই নিজস্ব চিপ তৈরির বিশাল খরচের কারখানা বসানোর আকাশকুসুম কল্পনায় সময় নষ্ট করেনি। তারা ইন্টেল (Intel) ও আমকোর (Amkor)-এর মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশে টেনে এনেছে। তারা OSAT (Outsourced Semiconductor Assembly and Testing - অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং ও প্যাকেজিং) হাব গড়ে তুলে সরাসরি আন্তর্জাতিক যোগানের ভেতরে ঢুকে পড়েছে।
২. ভারতের সরকারি অর্থায়ন: ভারত তাদের ১০ বিলিয়ন ডলারের 'Semicon India' প্রকল্পের মাধ্যমে চিপ অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট ও ডিজাইন হাব বানাতে সরাসরি ৫০ শতাংশ সরকারি ভর্তুকি দিচ্ছে।
৩. বাংলাদেশের নীতিগত স্থবিরতা ও ঘাটতি: আমাদের মূল সমস্যা ছিল নীতির ঘনঘন পরিবর্তন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। আমরা বহু বছর ধরে কেবল তৈরি পোশাক খাতের সহজ আয়েই স্বস্তিতে ছিলাম, উচ্চপ্রযুক্তির খাতের গুরুত্ব বুঝতে সময় নষ্ট করেছি। কাস্টমসের শুল্ক জটিলতা এবং প্রোটোটাইপ আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে অর্থ খাটাতে ভয় পেয়েছে।
প্রকৌশল শিক্ষা ও ইন্ডাস্ট্রির বৈপরীত্য: বাস্তবিক কাজে না লাগা শিক্ষার দায় কার?
আমাদের দেশে প্রতি বছর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) এবং কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) থেকে প্রায় ২০,০০০ প্রকৌশলী পাস করে বের হচ্ছেন। কিন্তু সত্যি কথাটা হলো, তাদের বড় একটি অংশ সেমিকন্ডাক্টর খাতের কাজের জন্য তৈরি নন। যে শিক্ষা বাস্তব জীবনে বা দেশের অর্থনীতিতে কাজে আসছে না, সেই শিক্ষার পেছনে বিনিয়োগ করে লাভ কী?
ল্যাব ও আধুনিক টুলের তীব্র সংকট: চিপ ডিজাইনের জন্য যেসব মৌলিক সফটওয়্যার বা ইডিএ টুলস (Electronic Design Automation - EDA Tools যেমন: Synopsys, Cadence) দরকার, সেগুলোর দাম অনেক বেশি। সরকারি সহযোগিতার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের এই টুলসগুলো হাতেকলমে ব্যবহার করতে পারে না। ফলে সনদ থাকলেও তারা আসল কাজের জায়গায় পিছিয়ে থাকে।
থিওরি নির্ভর পড়াশোনা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রম এখনো পুরনো আমলের থিওরি বইয়ের মাঝেই আটকে আছে। শিল্পের বর্তমান চাহিদার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আকাশ-পাতাল তফাত।
পেশাদার হওয়ার সুযোগ না পাওয়া: শিক্ষার্থীদের সেমিকন্ডাক্টর জাতীয় কাজে উৎসাহিত করতে যে ধরনের ইন্টার্নশিপ, সর্বাধুনিক ল্যাব ও প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্ট সুবিধা দেওয়া দরকার, আমাদের রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তা তৈরি করতে পারেনি। ফলে প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী ইঞ্জিনিয়ার বের হলেও তারা হয় অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন, না হয় বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন (Brain Drain)।
সেমিকন্ডাক্টরে সরকারের 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতি ও ডিসিআরএএফ-এর ভূমিকা।
বর্তমান অবস্থাকে মাথায় রেখে নীতিতে পরিবর্তন এনে সরকার সেমিকন্ডাক্টর খাতকে মেধানির্ভর অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রধান চালিকাশক্তি ভাবছে। 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতির আওতায় এবং ডিজিটাল কমার্স RESEARCH অ্যান্ড এডভোকেসি ফোরাম (DCRAF)-এর মতো থিঙ্ক-ট্যাংক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতিগত দাবির প্রেক্ষিতে সরকার একটি কার্যকর কাঠামোর ওপর জোর দিচ্ছে। ডিসিআরএএফ প্রতিনিয়ত নীতি সংস্কার, দেশীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা প্রদান এবং ইকোসিস্টেম গড়ার ক্ষেত্রে যে এডভোকেসি করে আসছে, তা সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখছে। এই সমন্বিত উদ্যোগের মূল দিকগুলো হলো:
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স ও নীতি তৈরি: একটি সমন্বিত জাতীয় রূপরেখার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কর মওকুফ ও নীতিগত সুবিধা (Tax Holiday & Incentives): হাই-টেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগ করা সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর জন্য ১০ বছরের পূর্ণ কর মওকুফ (Tax Holiday), প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিতে শুল্ক ছাড় এবং রপ্তানির বিপরীতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ ইনসেনটিভ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
কাস্টমস ও ইডিএ নীতি সহজ করা: প্রোটোটাইপ যন্ত্রপাতি, ছোট উপাদান ও টেস্ট বোর্ড আমদানিতে শুল্কের ঝামেলা কাটাতে আলাদা 'এইচএস কোড' (HS Code) নির্ধারণের কাজ চলছে।
২০৩০ সালের ১ বিলিয়ন ডলার অর্জনে ৫ কৌশলগত রোডম্যাপ ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশ
নভোথিয়েটারে আয়োজিত আজকের 'BEAR Summit 2026' থেকে দেশের প্রযুক্তি খাতের দ্রুত উন্নতিতে এবং ১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্য ছোঁয়ার জন্য ৫টি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার:
১. অ্যাডভান্সড OSAT ও টেস্টিং হাব তৈরি: শুরুতেই চিপ তৈরির কারখানার পেছনে ২০-৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ না করে ২০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন (২০-৫০ কোটি) ডলারের যৌথ বৈদেশিক বিনিয়োগে (Joint Venture) অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং ও প্যাকেজিং প্ল্যান্ট দ্রুত চালু করা।
২. বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি ইডিএ (EDA) ল্যাব ও পাঠ্যক্রম বদল করা: বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাকে আধুনিক করে সরকারি খরচে প্রতিটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি ইডিএ ল্যাব বসানো, যাতে শিক্ষার্থীরা ছাত্রাবস্থাতেই চিপ ডিজাইনে হাত পাকাতে পারে।
৩. 'ব্রেইন গেইন' (BRAINGAIN) ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার: ইন্টেল, এনভিডিয়া, এএমডি বা টিএসএমসি-র মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগকে দেশের শিক্ষা ও শিল্পের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা।
৪. জাতীয় ভিএলএসআই সেন্টার ও ল্যাব ঠিক করা: বুয়েটের ন্যানোল্যাব, ডুয়েটের (DUET) টেস্টিং সেন্টার এবং আণবিক শক্তি কমিশনের ক্লিনরুম নতুন করে সাজিয়ে বাণিজ্যিক প্রোটোটাইপিংয়ের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।
৫. বন্ডেড সুবিধা ও দ্রুত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স: নমুনা চিপ ও প্রোটোটাইপ বোর্ডের জন্য বিশেষ কাস্টমস সুবিধা দেওয়া, যেন আমদানির সময় মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ঝামেলা মেটানো যায়।
'স্যান্ড থেকে সিলিকন' — অর্থনৈতিক পরিবর্তনের হাতিয়ার।
তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারে এক জায়গায় নিয়ে গেছে ঠিকই, কিন্তু তা মূলত কম আয়ের শ্রমভিত্তিক খাত। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ শিল্প হলো বেশি আয়ের মেধানির্ভর খাত।
গত ২৬ শে, জুলাই তেজগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে 'BEAR Summit 2026'-এ তরুণ ও প্রকৌশলীদের উপস্থিতি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, মাত্র ৫০০ মিমি স্কয়ারের ছোট সিলিকন চিপে আন্তর্জাতিক মান তৈরি করার ক্ষমতা আমাদের তরুণদের আছে। কেবল থিওরিভিত্তিক পড়াশোনার ঘর থেকে বের হয়ে এসে যদি হাতের কাছে ল্যাব সুবিধা, ডিসিআরএএফ-এর মতো প্ল্যাটফর্মের সুনির্দিষ্ট নীতি সুপারিশ বাস্তবায়ন, কাস্টমস সহজ করা এবং সঠিক নজরদারি দেওয়া যায়, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলারের চিপ রপ্তানির লক্ষ্য ছোঁয়া কেবল মুখের কথা থাকবে না—বরং এটি টেকসই ও মজবুত অর্থনীতি গড়ার প্রধান শক্তিতে পরিণত হবে। বালু বা স্যান্ড থেকে সিলিকন চিপ তৈরির এই লড়াইয়ে 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতিই আমাদের আসল প্রেরণা।
Comments