চীন সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীনে এক অত্যন্ত সফল দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বাংলাদেশ সময় আজ সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটির ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে ঐতিহ্যবাহী লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিমানবন্দরে তাঁদের উষ্ণ বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওইয়ং। প্রধানমন্ত্রী ও ফার্স্ট লেডি গাড়ি থেকে নেমে লালগালিচা বিছানো পথ দিয়ে হেঁটে বিমানে আরোহণ করেন।
গত সোমবার (২২ জুন) রাতে দুই দিনের মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের তালিয়ানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তালিয়ানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জলবায়ু ও অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে তালিয়ান থেকে অত্যাধুনিক হাই-স্পিড ট্রেনে চড়ে বেইজিং পৌঁছান তিনি। বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং এবং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোর এবং দুই দেশের মধ্যে প্রথম ঐতিহাসিক 'টু প্লাস টু' (কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
বেইজিংয়ে আয়োজিত বিশেষ বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নিয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে, গত ২১ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বিশেষ আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুর যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই দেশে টানা ছয় দিনের এই মেগা সফর শেষে আজ রাতে দেশে ফিরছেন তিনি।
Comments