মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা ডিএনসিসি প্রশাসকের
রাজধানীতে মশার উপদ্রব কমাতে এবং মশক নিধন কর্মীদের কাজে উৎসাহিত করতে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। যারা মশা নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন, তাদের সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) গুলশান নগর ভবনে মশক নিয়ন্ত্রণ কৌশল বিষয়ক দুই দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।
প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'রাস্তায় হাঁটার সময় নগরবাসী যেন আমাদের দোষারোপ করতে না পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। আমরা হয়তো শতভাগ সফল হব না, কিন্তু আমাদের চেষ্টা থাকলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব।'
বক্তব্যে তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন: মশা মারার ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে মাঠপর্যায়ের ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। মশক নিয়ন্ত্রণের সাথে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমকেও সমানভাবে জোরদার করা হচ্ছে। মশা নিধনের সাফল্য অনেকাংশেই মাঠকর্মীদের সক্রিয়তার ওপর নির্ভর করছে বলে তিনি জানান।
ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে 'সমন্বিত বাহক ব্যবস্থাপনা (IVM) ও মৌলিক কীট নিয়ন্ত্রণ কৌশল' শীর্ষক এই প্রশিক্ষণে মোট ৮২ জন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের মশক সুপারভাইজার অংশ নিয়েছেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার জানান, মশা নিয়ন্ত্রণে ৩টি 'সি' (কমিটমেন্ট, কোলাবোরেশন এবং কো-অপারেশন) বাস্তবায়ন করা জরুরি। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মশক
ডিএনসিসি প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন যে, কর্মীরা নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে নগরবাসীকে মশার যন্ত্রণা থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হবে। যারা কাজে ভালো পারফরম্যান্স দেখাবেন, তাদের তালিকা করে দ্রুতই পুরস্কৃত করা হবে।
Comments