শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপার সম্পদের হিসাব চাইল দুদক
সাংবাদিক শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী সাংবাদিক ফারজানা রূপাকে পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (২৩ আগস্ট) দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বর্তমানে পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন এই সাংবাদিক দম্পতি।
দুদকের নথি অনুযায়ী, শাকিল আহমেদ ৭১ টেলিভিশনে এবং তার স্ত্রী ফারজানা রূপাও একই প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত। তাদের জ্ঞাত আয়ের বাইরে স্বনামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার বিষয়ে কমিশনের 'স্থির বিশ্বাস' তৈরি হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাকে নিজেদের, স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস এবং সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত তথ্য দাখিল করতে বলা হয়েছে। আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে এসব তথ্য জমা দিতে হবে।
দুদকের নথিতে শাকিল আহমেদের জন্য সম্পদ বিবরণী ফরম নম্বর ০০৭২১৩ এবং ফারজানা রূপার জন্য ০০৭২১৪ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে তাদের ঠিকানায় গিয়ে আদেশ ও ফরম পৌঁছে দিতে পারেননি দুদকের কনস্টেবল মো. জুয়েল মিয়া।
পরে দুদক জানতে পারে, শাকিল আহমেদ তেজগাঁও থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, ফারজানা রূপা যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।
এ পরিস্থিতিতে শাকিল আহমেদের নামে জারি করা সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের মাধ্যমে এবং ফারজানা রূপার নামে জারি করা আদেশ মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে জারি করার অনুমোদন চেয়েছে দুদক।
নথিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে কিংবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিবরণী জমা দিলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Comments