সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না: শামা ওবায়েদ
গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটে যাওয়া নৃশংস জঙ্গি হামলার ১০ম বার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর বাসভবনে এই স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। হামলায় নিহত ৯ ইতালীয় নাগরিকসহ সব ভুক্তভোগীকে স্মরণ করে সেখানে সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের অর্জন ও বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেওয়া হয়।
ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সেলরির প্রধান লরা শিলা পুষ্পস্তবক অর্পণের আগে হলি আর্টিজানে প্রাণ হারানো সব ভুক্তভোগীর নাম পাঠ করে স্মারক অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন। এরপর নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে যৌথভাবে শ্রদ্ধা জানান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম,কূটনৈতিক কোরের ডিন ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান,ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপ-মিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া,বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি দল
স্মরণসভায় ১ জুলাইয়ের সন্ত্রাসী হামলাকে মানবতার ওপর এক নৃশংস আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, 'সন্ত্রাসবাদকে কোনো অজুহাতেই কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না। ২০১৬ সালের সেই ট্র্যাজেডির পর থেকে বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।'
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই ঢাকার গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হলি আর্টিসান বেকারিতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় ১৭ জন বিদেশি নাগরিক, ৩ জন বাংলাদেশি এবং ২ জন পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২২ জন নিরীহ মানুষ নিহত হন। ১২ ঘণ্টার সেই অবরুদ্ধ দশা ও নৃশংস ঘটনাটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম কালো
Comments