AIMS স্বীকৃত ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দৌড়ের অভিজ্ঞতার গল্প জানালেন চন্ডীগড় ইউনিভার্সিটির অর্ণব
চট্টগ্রামের নৈসর্গিক ভাটিয়ারিতে ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল আলোচিত ভাটিয়ারী ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথন ২০২৬। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ) ও রান বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে এই আন্তর্জাতিক ম্যারাথনটি ছিল এআইএমএস (AIMS) স্বীকৃত, যেখানে দেশ-বিদেশের অসংখ্য দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন।
এই প্রতিযোগিতায় ভারতের চন্ডীগড় ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী অর্ণব দাশ ৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। এর আগে তিনি ১০ কিলোমিটার দৌড়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করলেও, ভাটিয়ারির পাহাড়ি ও চ্যালেঞ্জিং রুটের কথা বিবেচনা করে এবার ৫ কিলোমিটার বিভাগে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
নির্ধারিত সময়ের আগেই সফলভাবে দৌড় শেষ করেন অর্ণব। পাহাড়ি রাস্তা, আঁকাবাঁকা পথ ও সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশ তার দৌড়কে করে তোলে স্মরণীয় ও ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতায় ভরপুর।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অর্ণব দাশ বলেন, বিদেশে অবস্থানের কারণে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নেওয়া সম্ভব হয় না। তবে ভাটিয়ারির মতো আন্তর্জাতিক মানের একটি ম্যারাথনে অংশ নিতে পারা তার জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও অনুপ্রেরণার।
ম্যারাথনের দিন ভোর ৩টা ৩০ মিনিটে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিবহনে স্টার্টিং পয়েন্টে পৌঁছান। পুরো আয়োজন জুড়ে নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
এই ম্যারাথনে হাফ ম্যারাথন (২১.১ কিলোমিটার), ১০ কিলোমিটার ও ৫ কিলোমিটার—এই তিনটি বিভাগে দৌড় অনুষ্ঠিত হয়। ভোরের কুয়াশা আর পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাটিকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
অর্ণব মনে করেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজন শুধু শারীরিক সক্ষমতা নয়, মানসিক দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সহায়ক।
Comments