মালয়েশিয়ায় পাচারকারীসহ ২০ জন গ্রেফতার
মালয়েশিয়ার কুচাই লামা থেকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে পাচার হওয়া নাগরিকদের গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ ( জেএমজি) তার এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের মাধ্যমে ১ ফেব্রুয়ারী কুয়ালামাপুরের আশেপাশে অভিযান চালিয়ে মানব পাচারকারী চোরাকারবারী সন্দেহে 'সোজুল গ্যাং' নামে পরিচিত এক স্থানীয় নাগরিক ও এক বাংলাদেশি সফলভাবে গ্রেফতার করে। মালয়েশিয়ায় পাচার হওয়া হওয়া এমন ২০ জন বিদেশি নাগরিকেও গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনে ভেরিফাই ফেসবুক পেজে জানানো হয়, প্রথম অভিযানে জালান কুচাই লামার একটি সুপারমার্কেটের পাকিং লটে পাচার করা অভিবাসীদের বহন করা একটি ৪×৪ গাড়ি এবং একটি SUV গাড়ি জব্দ করা হয়।
এ সময় ৬ বাংলাদেশি পুরুষ, এক জন বাংলাদেশি নারী, একজন মিয়ানমারের পুরুষকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে কুচাই লামার আশেপাশের একটি কনডোমিনিয়াম এর সেফ হাউজ থেকে ১২ বাংলাদেশি পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তার সকলে সম্প্রতি একটি প্রতিবেশী দেশ থেকে স্থলবন্দর দিয়ে অনুপ্রবেশ করে।
এদের সকলের বয়স ১৮ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। অভিযানের সময় দুইটি গাড়িসহ বেশকিছু বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ৮২,১০০ রিংগিত নগদ এবং ৩৭০০ মার্কিন ডলার বৈদিক মুদ্রা জব্দ করে।
ধারণা করা হচ্ছে সিন্ডিকেটটি ২০২৫ থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে, প্রতিটি মানব পাচার হওয়ার কারীর কাছ থেকে ১২,০০০ রিংগিত আদায় করা হয়। কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই ১.২ বিলিয়ন রিংগিত আয় করে চক্রটি।
ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এবং অভিবাসীদের পাচার ও চোরাচালান বিরোধী আইন ২০০৭ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
গ্রেফতার হওয়া বিদেশি নাগরিকদের আইনি পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুত্র যা ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।
Comments