রাজকীয় গল্পে সামাজিক নিষেধাজ্ঞার প্রশ্ন তুলছে ‘ব্রিজারটন ৪’
নেটফ্লিক্সের 'ব্রিজারটন' চতুর্থ মৌসুম রোমান্সের পাশাপাশি নারীদের যৌনতা ও সে বিষয়ে অজ্ঞতা—এই সংবেদনশীল সামাজিক বিষয়কে সামনে এনেছে। গল্পে ফ্রান্সেসকা ব্রিজারটন ও জন স্টার্লিংয়ের দাম্পত্য জীবন দিয়ে দেখানো হয়েছে, রিজেন্সি যুগে অভিজাত নারীদের যৌন শিক্ষা থেকে দূরে রাখা হতো, যা বিবাহিত জীবনে অস্বস্তি ও বিভ্রান্তি তৈরি করত। নিজের অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ফ্রান্সেসকা মা ও ভাবির সঙ্গে খোলামেলা কথা বলে—এ অংশ নারীদের মধ্যে পারস্পরিক আলাপের গুরুত্ব তুলে ধরে।
মৌসুমটিতে সম্পর্কের ভেতরে নীরবতা ভাঙা, সততা ও যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্সেসকার চরিত্রে সামাজিক পরিবেশে অস্বস্তি ও ভিন্নতার অনুভূতির বিষয়টিও উঠে এসেছে, যা অনেক দর্শকের সঙ্গে মিল খুঁজে পায়।
অন্যদিকে, মূল প্রেমের গল্প এগিয়েছে বেনেডিক্ট ব্রিজারটন ও রহস্যময় তরুণী সোফিকে ঘিরে। এর মাধ্যমে প্রথমবার অভিজাত সমাজের আড়ালের গৃহপরিচারকদের জীবনও দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি রানি শার্লট ও লেডি ড্যানবেরির সম্পর্কে টানাপোড়েন ক্ষমতা, বন্ধুত্ব ও ব্যক্তিসীমার প্রশ্ন তুলে ধরে।
সব মিলিয়ে, এই মৌসুম ভালোবাসার গল্পের আড়ালে নারীর শরীর, অভিজ্ঞতা, আত্মপরিচয় ও সামাজিক বাধার প্রশ্নগুলোকে সাহসের সঙ্গে সামনে এনেছে।
Comments