বরিশাল মহানগরে বাড়ছে আরও চারটি থানা
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)'র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়ছে। নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি সেবার পরিধি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন ব্যক্তিরা। এদিকে নগরবাসীর দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে আরও চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএমপি কমিশনার।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয় চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরের বান্দ রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। বর্তমানে চারটি থানার মাধ্যমে নগরবাসীকে সেবা দিচ্ছে সংস্থাটি। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ ও যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও যানজট ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পুলিশের জনবল ও সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার পরিধি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ জন্য পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।
বিএমপি কমিশনার মো. আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ জানান, ভবিষ্যতে বরিশাল মহানগরে আরও চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে নগরে থানার সংখ্যা চার থেকে বেড়ে আটটি হবে। এতে নগরবাসীর কাছে পুলিশি সেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম জোরদার করা সম্ভব হবে বলে আশা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
বিএমপিতে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৮০০ সদস্য কর্মরত। প্রতিষ্ঠার দুই দশকে নগরীর নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে আসছে সংস্থাটি। তবে নগরীর ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশি সেবাকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করাই এখন বড় প্রত্যাশা।
Comments