ভারতের ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত: ৭ আরোহী নিহত
ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের চাতরা জেলার সিমারিয়া এলাকায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে আরোহী সাতজনই নিহত হয়েছেন।
রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত বিচক্র্যাফট সি-৯০ মডেলের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিমারিয়ার বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকার একটি গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়। এতে দুই পাইলটসহ সাত আরোহীর সবাই প্রাণ হারান।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে একজন কর্মকর্তা বলেন, 'আমরা সাতটি মৃতদেহই চাতরা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে এসেছি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
সোমবার বিমানটি রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর ৭টা ১১ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
চাতরার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি পিটিআইকে জানান, বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট নাগাদ নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে জানা যায়, এটি সিমারিয়ার বনের গভীরে বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে।
উদ্ধারকারী দল সাতজনের মরদেহই উদ্ধার করেছে। নিহতরা হলেন: ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ ভগত, ক্যাপ্টেন স্বরাজদীপ সিং, সঞ্জয় কুমার, ড. বিকাশ কুমার গুপ্ত, শচীন কুমার মিশ্র, অর্চনা দেবী ও ধুরু কুমার।
রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের সিইও অনন্ত সিনহা পিটিআইকে জানান, তাদের হাসপাতালের একজন রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, লাতেহার জেলার চাঁদওয়ার বাসিন্দা সঞ্জয় কুমার (৪১) ৬৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল। সঞ্জয়ের পরিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লিতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেজন্যই সোমবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে রোগী হাসপাতাল থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন।
এর আগে রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার পিটিআইকে বলেছিলেন, উড্ডয়নের প্রায় ২০ মিনিট পর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
Comments