‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের
আগামী ৭ নভেম্বর 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৭৫ সালের এ দিনে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাঁদের সম্মিলিত ভূমিকা তৎকালীন রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর সৈনিক ও সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আকাঙ্ক্ষাকে আরও জোরালো করে। সেদিন 'নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার' স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে রাজপথ।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, দেশ এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জাতীয় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য। অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কিংবা স্বৈরাচারী প্রবণতা ফিরে আসার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সরকার এবং সামরিক বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ও সম্মিলিত ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
বিবৃতির শেষাংশে জামায়াত আমির বলেন, ৭ নভেম্বর উপলক্ষে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতাকে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানান তিনি।
Comments