বিসর্জনের মধ্য দিয়ে কৈলাসে ফিরছেন দেবী দুর্গা
যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা। নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।। শিশির ভেজা শিউলিতলা। শরৎ এর নীল আকাশে পেজা তুলোর মত ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘ আর সূর্যের মিষ্টি হাসি। দেবী দুর্গার আগমনী মানেই প্রকৃতির অপরূপ সাজ। ঢাক, ঢোল আর কাসরের সুরে অশুভ শক্তির বিনাশ করে পৃথিবীতে শুভশক্তি ছড়িয়ে দিতে ঘোড়ায় চড়ে কৈলাশ ছেড়ে 'মহিষাসুরমর্দিনী' বাপের বাড়ি মর্ত্যে এসেছিলেন।
পঞ্চমীতে প্রতিমা স্থাপন ও বোধন, ষষ্ঠীতে ঘট স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। ধূপ-ধুনুচি, পঞ্চপ্রদীপ সাজিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে হয় পূজা-অর্চনা। পঞ্জিকায় এবার মহাসপ্তমী তিথিও ছিলো দুদিন। মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও পূজা, মহা-অষ্টমীতে অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা, কুমারিপূজা, মহানবমীতে অঞ্জলি, পূজা অর্চনা ও ভোগ নিবেদন করা হয়।
তবে, দেখতে দেখতে মায়ের ফেরার সময় হয়ে গেলো। আজ বিজয়া দশমী। ভক্তদের কাঁদিয়ে দেবী দুর্গা নৌকায় চড়ে কৈলাশে ফিরবেন। মায়ের বিদায় যেমন দুঃখের। তেমনই দেবীর আগমনে ভক্তদের মাঝে একাগ্রতা, ভালোবাসা আর ভক্তির মেলবন্ধন পৃথিবীতে শুভশক্তির জানান দেয়। মাকে বিসর্জনের আগে দর্পন, সিঁদুরখেলা আর ধুনুচি নাচে মেতেছেন ভক্তরা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।
Comments