সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সমঅধিকারের বার্তা সরকারের
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, বরং সব নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। ধর্ম-বর্ণের ভিন্নতা ভুলে সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত 'মহালয়া ১৪৩৩' উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্য বা বিভেদের শিকার হবেন না। রাষ্ট্র, সমাজ ও সরকারের কাছ থেকে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা পাবেন। নাগরিকদের এসব অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের পরিকল্পনা।
তিনি বলেন, মহালয়া নতুন আশা ও শুভ শক্তির বিজয়ের বার্তা নিয়ে আসে। অশুভকে পরাজিত করে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়াই এ উৎসবের মূল শিক্ষা। সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের জন্য গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
মাহদী আমিন আরও বলেন, ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ ও বিশ্বাসের ভিন্নতা থাকলেও সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি। সবাই মিলে এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে ও সমান মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে পারবেন এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন।
আসন্ন দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে সরকারি আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে মিল রেখে পূজার সরকারি ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিটি মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শ্রী অলোক সাহা ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় গোপাল রায়সহ অনেকে।
Comments