পুজোর ভোজে পেট সামলাবে যে ৪ পানীয়
পুজো মানেই ডায়েটের কড়াকড়ি ভুলে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর দিনভর ঘোরাঘুরি। উৎসবের কয়েকটা দিন একটু বেশি খাওয়ায় আপত্তি নেই। তবে অতিরিক্ত ভাজাভুজি, মশলাদার ও বেশি ক্যালোরির খাবার কিংবা মদ্যপান থেকে পেটের গোলমাল, অম্বল বা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাতে নষ্ট হতে পারে পুজোর আনন্দও।
তাই উৎসবের ব্যস্ততার মধ্যেও শরীর ও পেটের দিকে একটু নজর দেওয়া জরুরি। কয়েক ধরনের সহজ পানীয় খাবার হজমে স্বস্তি দিতে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে।
ঈষদুষ্ণ লেবুর জল
সকালে ঈষদুষ্ণ জলে লেবুর রস মিশিয়ে পান করার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। পুজোর দিনগুলোতেও চাইলে এই পানীয় রাখতে পারেন। এটি শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে এবং পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস তৈরি করে। তবে যাদের গ্যাস, অম্বল বা আলসারের সমস্যা রয়েছে, তারা খালি পেটে লেবুর জল পান করার আগে সতর্ক থাকুন।
সাইট্রাস ফ্লেভারের জল
পুজোর ব্যস্ততায় ঘুমের রুটিনে পরিবর্তন আসতেই পারে। শরীরকে সতেজ রাখতে পানিতে কমলালেবু, বাতাবি লেবু বা মুসাম্বির কয়েকটি টুকরো এবং শসা দিয়ে তৈরি করতে পারেন ফ্লেভারড ওয়াটার। এটি পানিতে স্বাদ যোগ করার পাশাপাশি বেশি করে পানি পান করতেও উৎসাহিত করবে।
মশলা ভেজানো পানীয়
পুজোর সময় অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার কারণে অনেকের গ্যাস বা পেট ভার লাগার সমস্যা হয়। এমন ক্ষেত্রে আদা, দারুচিনি বা জিরের মতো মশলা দিয়ে হালকা পানীয় তৈরি করে খেতে পারেন। তবে এগুলো কোনো রোগের চিকিৎসা নয়; শরীরের সঙ্গে মানানসই কি না, সেটিও খেয়াল রাখা জরুরি।
জোয়ান-জিরে-মৌরির জল
রাতে এক গ্লাস পানিতে অল্প জোয়ান, জিরে ও মৌরি ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে খেতে পারেন। ভারী খাবারের পর পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হলে এই পানীয় অনেকের কাছে আরামদায়ক মনে হতে পারে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্য বা দীর্ঘদিনের হজমের সমস্যা থাকলে শুধু এই ধরনের পানীয়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
পুজোয় আনন্দ করুন, পছন্দের খাবারও খান। তবে তার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, পরিমিত খাওয়াদাওয়া এবং ঘুমের দিকেও নজর রাখুন। তাহলেই উৎসবের আনন্দ থাকবে আরও স্বস্তির।
Comments