ইউপি নির্বাচনের তারিখে আসছে পরিবর্তন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে নতুন করে ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর দিন এবং জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার দিন ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ রাখার বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে। এ নিয়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ভোটের তারিখ নির্ধারণের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে কমিশনের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। এর ফলে সম্ভাব্য ভোটের সূচিতে এমন অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউপি নির্বাচনের কয়েকটি ধাপের তারিখ পরিবর্তনের চিন্তা করছে কমিশন। শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সভা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ইসির একাধিক সূত্র জানায়, ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীদের বিভিন্ন বক্তব্য নিয়েও কমিশনের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশনারদের মতে, তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের পক্ষ থেকে ভুল ও পর্যাপ্ত যাচাইয়ের ঘাটতি ছিল। তবে এ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে যেভাবে বক্তব্য এসেছে, সেটিও কমিশনের জন্য বিব্রতকর।
ইসি সম্প্রতি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে সাত ধাপে ইউপি ভোটের সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণ করে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোট ২৭ মে হওয়ার কথা।
তবে দ্বিতীয় ধাপের ১৩ ডিসেম্বরের তারিখটি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ৮, ১০, ১৩ ও ১৫ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ১৩ ডিসেম্বর রয়েছে গণিত পরীক্ষা।
নির্বাচন ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ইউপি নির্বাচনের সময় সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষকরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ৮ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা চলাকালে ইউপি নির্বাচন আয়োজন করলে উভয় কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এদিকে ৩০ ডিসেম্বরকে তৃতীয় ধাপের সম্ভাব্য ভোটের দিন রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই দিন বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি থাকার কথা রয়েছে। এমন একটি দিনে ইউপি ভোটের তারিখ নির্ধারণ করায় বিষয়টি নিয়েও কমিশনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আজকের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতামত নেওয়ার পর ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে। এবার অনানুষ্ঠানিক আলোচনার পরিবর্তে আনুষ্ঠানিক কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ পাওয়া যাবে। সেসব বিবেচনা করেই পরবর্তী সময়ে ইউপি নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ও ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে আজ নির্বাচন কমিশনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে নতুন করে ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর দিন এবং জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার দিন ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ রাখার বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে। এ নিয়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ভোটের তারিখ নির্ধারণের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে কমিশনের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। এর ফলে সম্ভাব্য ভোটের সূচিতে এমন অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউপি নির্বাচনের কয়েকটি ধাপের তারিখ পরিবর্তনের চিন্তা করছে কমিশন। শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সভা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ইসির প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাত ধাপে ইউপি ভোট হওয়ার কথা। সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো—প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপ ২৭ মে।
এর মধ্যে ১৩ ডিসেম্বরের সম্ভাব্য ভোটের তারিখটি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ৮, ১০, ১৩ ও ১৫ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর রয়েছে গণিত পরীক্ষা।
ইউপি নির্বাচনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং শিক্ষকরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে পরীক্ষা চলাকালে নির্বাচন আয়োজন করলে দুই কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অন্যদিকে ৩০ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। ওই দিন বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি থাকার কথা রয়েছে। এই দিনকে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে রাখায় বিষয়টি নিয়েও কমিশনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
আজকের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়ার পর ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচিতে পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে এবার আনুষ্ঠানিক কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পাওয়া আলোচনা ও পরামর্শ বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী সময়ে ইউপি নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন ও ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে আজ নির্বাচন কমিশনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
Comments