ইইউর ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম ২০২৭’-এ মূল বক্তব্য দিতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ
আগামী ২০২৭ সালের জুনে অনুষ্ঠিতব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) 'গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম'-এ মূল বক্তব্য (কীনোট স্পিচ) দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েন।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এই আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইইউর 'গ্লোবাল গেটওয়ে' উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। খাতগুলো হলো:টেকসই অবকাঠামো ও ডিজিটালাইজেশন, জ্বালানি ও পরিবহন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত মিলার, ইউরোপীয় কমিশনের সহসভাপতি এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক ইইউর উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে এই অভিনন্দন জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনার প্রধান বিষয়গুলো ছিল, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায়। প্রস্তাবিত 'বাংলাদেশ-ইইউ বিজনেস ফোরাম ২০২৭', আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর এবং বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এর সম্ভাবনা। চলমান রোহিঙ্গা সংকট, জাতিসংঘ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং সমসাময়িক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি।
উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও ইইউর দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে পারস্পরিক স্বার্থে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আগামী ২০২৭ সালের ৮ ও ৯ জুন গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হবে। ইউরোপীয় কমিশনের আয়োজনে এই ফোরামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। এর মূল লক্ষ্য হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈশ্বিক সংযোগ ও অবকাঠামো বিনিয়োগ কৌশলকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
Comments