কিন্তু ও কেন প্রশ্নগুলো কী!
প্রশ্ন শীঘ্রই বিশ্রামে চলে যাবে এমন...?
তাহলে দাঁড়াল কী —
মানব বনাম পশুমানব স্মার্ট কার্ড পেতে যাচ্ছে পৃথিবী মানুষ শীঘ্রই এমন?
মানুষের উর্বর অনুর্বর কল্পনার ফসল মিথ্যে হয় না কোনোদিনও। এই ব-দ্বীপের নানান রকমের বাংলা সিনেমা তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। রাষ্ট্রের নানান রকমের ওঝা বৈদ্য কেবল নিজেরাই ভালো থাকা উর্বর শস্য ফলান ভূমির ভাঁজে ভাঁজে,— অবস্থান নেয়া সময় রাষ্ট্রের মুখে বলা — এক সময়ের অযোগ্য ভাগাড়ে পরিণত বিদঘুটে মানব শস্যগুলো সোনার দামে এখন কেন জানি বিক্রি হচ্ছে। যোগ্য অযোগ্যতার বিচার ও বিহারে যেতে চাইছি না। পশু মানুষ ব্যতিরেকে,মানুষ পরিচয়ে যে কোনো মানুষই যোগ্যতার ভারে যোগ্যতর ও যোগ্যতম। তবুও কথা বিচারে এই ব-দ্বীপের মানুষগুলো হন, শতভাগ সুযোগসন্ধানী জালিম ও শকুন।
রাষ্ট্র, যাকে যেখানে বিশ্বাস করে বসিয়ে দেয়, সে হয়ে যায় এক একজন সময় রাবণ বেদনার অনুভূতি মীরজাফর বিশ্বাসঘাতক এমন। তাদের চিহ্নিত চিহ্নে বিভক্ত করতে সময় এসেও ফিরে গেছে বারে বার। এই নিয়ে যা লেখার রাষ্ট্রের অদৃষ্টে আগেই লেখা হয়ে গেছে।
বিবেচনাও এক সময় নিরপেক্ষ ও বিশ্বস্ত সময়ই করে নেবেন।
আমরা কেউই কি সময় অদৃষ্টের ধারে কাছেও যেতে পেরেছি?
তবুও প্রশ্নঃ — কানে বাজে কী? ওহ্ সময়! মানব বনাম পশু মানব বিচিত্র দৃশ্যের চিৎকার।
তবুও করেছিলাম একটি সফল আবদার
- কী?
মানব বনাম পশুমানব শুমারি দিনটা আসবে কবে? তা জানা ছিল বেশ জরুরি।
আরো কিছু বলতে চাইছিলাম
- তাও আবার এমন কী?
দেশ পেরিয়ে নানান দেশে এক বা ভিন্ন তারিখে পালিত হবে এমন ছোট্ট আবদারখানি।
- মানুষের এতে সুবিধা বা লাভ হবে কীইবা কতখানি?
মানুষের মাঝে লেগে যাবে মানুষ হবার প্রতিযোগিতা বুঝতে পেরেছো কি?
- বিশ্ব পশুমানব কার্ড নিয়ে সে করবেটা কী?
পশু মানবেরা আলাদা আলাদা রোবটদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাদেরও প্রতিবছর তাদের মহৎ মানুষ কাজের স্বীকৃতি দেয়া হবে। সেখানে সেনাবাহিনী প্রধান পুলিশ প্রধান নেতা পাতিনেতা, সাংবাদিক, মন্ত্রী, ব্যবসায়ী ভূমিখোর, ইতিহাসের সব্যসাচী পুরোহিত, দেশান্তরি হতে হুমকি দাতাদেরও আলাদা করে দেখা হবে না। মানব বনাম পশু মানব যাচাই বাছাই কমিটি— মানব হলে— মানুষ স্মার্ট কার্ড, এবং পশুমানব অমানুষ হলে ঘৃণার স্কোর সম্বলিত পশুমানব স্মার্ট কার্ড, যাচাই বাছাই কমিটি তাদের গলায় ঝুলিয়ে দিয়ে বিশ্বময় অনলাইনে বার্তা পাঠবে।
যাতে, ব্যাংকের টাকা মেরে বা ঘুষ ঘাস খেয়ে কেউ ঘুমিয়ে থাকতে না পারে। ঠিক পোষা আদুরে প্রাণিদের মতন করে পশুমানবদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হবে।
সে মানব বনাম পশুমানব যাচাই বাছাই কমিটিতে যারা থাকবেন — তারা হবেন মানুষ বাদে সকলেই ডিজিটাল মানবীয় রোবট।
মানবীয় রোবটটি হেঁটে চলেছে।
লক্ষ কোটি উন্মত্ত পশু ষাঁড় বলদ নেংটী কুত্তা শুয়োর ঘোৎ ঘোৎ মানুষের দিকে ধেয়ে আসছে দেখে, আমি রোবটের কাছে সাহায্য চাইলাম। রোবট জানিয়ে দিলো — এইগুলা এক সময় মানুষের অবয়বে কোনো কোনো দেশে জীবিকা নির্বাহ করত। গোপন সেন্সর সিষ্টেম প্রকাশ্যে এসে গেছে এখন। যারা দৌড়ে আসছে, তারা নিজেরা নিজেদের দেখে লজ্জিত। এ কী! কিন্তু ও কেন প্রশ্নগুলো কী? প্রশ্নরা কি শিগগিরই বিশ্রামে চলে যাবে এখন।
লেখক: কথাসাহিত্যিক প্রাবন্ধিক ও কবি
Comments