গোপালগঞ্জে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ হয়নি, ২১ স্টেশনে ট্যাগ অফিসার
সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও গোপালগঞ্জে কৃষকদের মাঝে 'ফুয়েল কার্ড' বিতরণ করা হয়নি। নীতি নীতিগত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় গোপালগঞ্জে ফুয়েল কার্ড বিতরন করা হয়নি। সেচ মৌসুমে ভর্তুকি মূল্যে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এই কার্ড দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রান্তিক কৃষকরা এখনো তা হাতে পাননি।
এদিকে, গোপালগঞ্জের ২১টি ফিলিং ষ্টেশনের ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এসব ট্যাগ অফিসাররা তেলের মজুদ ও বিতরনে দেখভাল করবেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, সরকারী নির্দেশনা থাকলেও নীতিগত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় এখন পযর্ন্ত গোপালগঞ্জে কোন ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আবারো আলোচনা করার পর সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে। এতে ফুয়েল কার্ডের আওতার বাইরে রয়েছে গোপালগঞ্জ জেলা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে আরো জানাগেছে, গোপালগঞ্জের ৫টি উপজেলার ২১টি ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার নিয়ো্গ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জে সদরে ৯টি, মুকসুদপুর উপজেলার ৫টি ও কাশিয়ানী উপজেলার ৫টি এবং কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ১টি করে ফিলিং স্টেশন করেছে। জ্বালানি সরবরাহ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
ওইসব ট্যাগ অফিসাররা হচ্ছেন, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন, জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বিএডিসি, কৃষি, পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকটি দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের ২১ জন কর্মকর্তা এ দায়িত্ব পালন করবেন।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ের এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অনিরুদ্ধ দেব রায় জানান, প্রতিদিন ফিলিং স্টেশনের প্রারাম্ভিক মজুদ রেকর্ড ভুক্ত, ডিপো থেকে সরবরাহকৃত জ্বালানিত তেল সরাসরি উপস্থিত থেকে পরিমাণ করে গ্রহণ, পে অর্ডার ডিপোর চালান রিসিটের সঙ্গে সরবরাহ করা তেলের পরিমাণ মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি ডিপো- রড বা ডিপো- স্টিলের মাধ্যমে বাস্তব মজুত যাচাই করাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া তেল বিক্রিতে বিভিন্ন সময় অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে জেল জরিমানা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, এখন পযর্ন্ত জেলায় কোন ফুয়েল কার্ড দেয়া হয়নি। মিটিং-এ এ বিষয়ে কোন নীতিগত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ফুয়েল কার্ড দেয়া সম্ভব হয়নি। #
Comments