বাংলাদেশে কি গালিবাজদের একনায়কতন্ত্র কায়েম হয়েছে?
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগে সম্প্রতি সিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জানা গেছে, সিফাতের অভিযোগ ছিল-তাদের বাড়িতে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল এসেছে, সেই বিল পরিশোধ করতে পরিবারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ক্ষোভ থেকে তিনি সরকারপ্রধানকে উদ্দেশ করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন।
অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এ ধরনের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। বিদ্যুৎ বিল,দ্রব্যমূল্য,প্রশাসনিক হয়রানি,নাগরিক সেবা কিংবা নানা ধরনের অনিয়ম নিয়ে মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে। নাগরিকের সেই ক্ষোভের প্রতিকার পাওয়া তার অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সেই অভিযোগ শুনে ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু ক্ষোভ প্রকাশেরও একটি ভাষা আছে,একটি সামাজিক ও নাগরিক শিষ্টাচার আছে। সরকার প্রধানের সমালোচনা করা যাবে,তীব্র সমালোচনা করা যাবে,তার নীতি ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যাবে-কিন্তু তাই বলে ব্যক্তিগতভাবে অকথ্য গালিগালাজকে কি আমরা স্বাভাবিক নাগরিক আচরণ হিসেবে মেনে নেব?
গালির পক্ষে কোনো সভ্য মানুষ দাঁড়াবে না। কিন্তু এখানেই মূল প্রশ্নটি শেষ হয়ে যায় না। বরং আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে এসে দাঁড়ায়-কীভাবে গালিগালাজ বাংলাদেশের জাতীয় রাজনৈতিক ডিসকোর্সের এত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠল?
গালি আমাদের সমাজে আগে থেকেই ছিল। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অপমান করার সংস্কৃতিও নতুন নয়। কিন্তু ২০২৪ সালের আন্দোলনের আগে এবং বিশেষ করে তার পরে প্রকাশ্য রাজনৈতিক ভাষায় যে মাত্রায় অশ্লীলতা,ব্যক্তিগত আক্রমণ,কুরুচিপূর্ণ শব্দ এবং গালিগালাজের বিস্তার ঘটেছে,তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। শুধু রাজনৈতিক কর্মী নয়,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সার,কথিত অ্যাক্টিভিস্ট,শিক্ষার্থী,বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এমনকি নাগরিক সমাজের কিছু অংশও কখনো কখনো এই ভাষাকে প্রশ্রয় দিয়েছে।
সমস্যাটা এখানেই।
একটি সমাজে যখন অশ্লীল ভাষা ব্যবহারকারীকে নিন্দার বদলে করতালি দেওয়া হয়, যখন গালিকে প্রতিবাদের সাহসী ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়,যখন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকে রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার সিঁড়ি বানানো হয়,তখন সেই ভাষা আর ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ধীরে ধীরে সেটি সামাজিক আচরণে পরিণত হয়। মানুষ তখন ভাবতে শুরু করে-অমুক যদি পারে, আমি কেন পারব না?
২০২৪ সালের পর আমরা এই পরিবর্তনটি খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছি। রাজপথে প্রকাশ্যে নারী কমিশনের সদস্যদের উদ্দেশ করে নোংরা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক বিরোধকে অনেক সময় যুক্তি ও বিতর্কের পরিবর্তে গালি,অপমান এবং আক্রমণাত্মক স্লোগানে নামিয়ে আনা হয়েছে। অথচ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এসবের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও ধারাবাহিক নৈতিক অবস্থান খুব একটা দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও নিরব থেকেছে।
এখানে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সরকার যদি মনে করে থাকে যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের উত্তাল সময়ে কিছু ভাষা বা আচরণকে উপেক্ষা করাই শ্রেয়,তবে সেই নীরবতার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক মূল্য কতটা হতে পারে, সম্ভবত তখন তা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হয়নি। কারণ রাষ্ট্র যখন কোনো আচরণের বিরুদ্ধে কথা বলে না,সমাজের একটি অংশ সেটিকে অনেক সময় নীরব অনুমোদন হিসেবে গ্রহণ করে।
প্রকাশ্যে গালিগালাজ করে রাজপথ গরম করা এক ব্যক্তি একসময় রাষ্ট্রীয় সেলেব্রিটিতে পরিণত হলেন। তার অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক ভাষা খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল। তার অনুসরণে আরও অনেকে একই ভাষা ব্যবহার করতে শুরু করল। পুঞ্জীভূত ক্ষোভ, হতাশা ও রাজনৈতিক ক্রোধ প্রকাশের জন্য মানুষ একটি সহজ অস্ত্র পেয়ে গেল-গালি।
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। মানুষের ক্ষোভকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, দুর্নীতি, অনিয়ম, বৈষম্য, বিচারহীনতা কিংবা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা মানুষের মনে যে ক্ষোভ জমিয়েছে, তার সামাজিক বহিঃপ্রকাশ ঘটবেই। কিন্তু ক্ষোভ সত্য হলেই তার প্রকাশের প্রতিটি পদ্ধতি বৈধ হয়ে যায় না।
একজন স্বৈরশাসকের সমালোচনা করতে হলে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা প্রয়োজন হতে পারে। একজন রাজনৈতিক নেতার অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ হতে পারে। কিন্তু একজন নারী রাজনীতিককে তার নারী পরিচয়কে কেন্দ্র করে গালি দেওয়া, একজন পুরুষ রাজনীতিককে তার পরিবার বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করা,কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মানুষ হিসেবে অপমান করার মধ্যে কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নেই।
বরং এসব আচরণ গণতন্ত্রের ভাষাকে দুর্বল করে।
ওসমান হাদীর প্রসঙ্গও অনেকে সামনে আনেন। হাদীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি যখন প্রকাশ্যে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন, তখন তাদের সেই ভাষার সামাজিক প্রভাব নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়নি। তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কিংবা রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পক্ষ থেকেও এ ধরনের ভাষা ব্যবহার বন্ধ করার জন্য শক্তিশালী নৈতিক অবস্থান দেখা যায়নি।
শেখ হাসিনার কঠোর সমালোচনা অবশ্যই হবে। তার শাসনামলের নীতি, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, মানবাধিকার পরিস্থিতি, বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতা নিয়ে কঠোরতম ভাষায় রাজনৈতিক সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু তাকে সমালোচনা করতে গিয়ে একজন নারী হিসেবে তাকে অবমাননা করা কিংবা নারীর প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ গালিকে স্বাভাবিক করে তোলা কোনোভাবেই একই বিষয় নয়।
একজন রাজনৈতিক নেতার কর্মকাণ্ডের সমালোচনা আর তার মানবিক মর্যাদাকে আক্রমণ করা-এই দুইয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। দুঃখজনকভাবে আমরা সেই পার্থক্যটি ক্রমশ ভুলে যাচ্ছি।
আজ রাজনৈতিক বিতর্কে যুক্তির চেয়ে শব্দের তীব্রতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কে বেশি তথ্য দিয়ে কথা বললেন,কে বেশি যুক্তি উপস্থাপন করলেন-তার চেয়ে কে কাকে বেশি অপমান করতে পারলেন,কে বেশি কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করতে পারলেন,কে প্রতিপক্ষকে সামাজিকভাবে হেয় করতে পারলেন-সেটিই যেন জনপ্রিয়তার মাপকাঠি হয়ে উঠছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই প্রবণতাকে আরও তীব্র করেছে। অ্যালগরিদম উত্তেজনাপূর্ণ কনটেন্টকে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়। শান্ত,যুক্তিনির্ভর এবং তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্যের তুলনায় রাগ,অপমান,বিদ্বেষ ও অশ্লীলতা অনেক দ্রুত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফলে রাজনৈতিক কনটেন্টের একটি অংশ ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে 'কে কাকে কতটা অপমান করতে পারে', এই প্রতিযোগিতায়।
এটি শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবক্ষয় নয়; এটি সমাজের ভাষাগত ও নৈতিক অবক্ষয়েরও লক্ষণ।
একসময় যে শব্দ উচ্চারণ করতে মানুষ লজ্জা পেত,আজ সেটিই হাজার হাজার মানুষের সামনে প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে। যে বক্তব্য একসময় বন্ধ ঘরের আড্ডায়ও অনেকে বলতে সংকোচ বোধ করত,এখন সেটিই লাইভ ভিডিওতে বলা হচ্ছে। এবং সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো-দর্শকরা সবসময় প্রতিবাদ করছে না;অনেক ক্ষেত্রে তারা হাততালি দিচ্ছে, শেয়ার করছে,অনুসরণ করছে।
অর্থাৎ আমরা শুধু গালিবাজ তৈরি করছি না;আমরা গালিবাজদের জন্য শ্রোতা ও বাজারও তৈরি করছি।
এখন ক্ষমতাসীন সরকারও এর অভিঘাত টের পাচ্ছে। যে ভাষা একসময় ক্ষমতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল, সেই একই ভাষা এখন ক্ষমতার কাছেও ফিরে আসছে। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষোদগার,ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং অশ্লীল ভাষা এখন রাজনৈতিক মাঠে ক্রমেই সাধারণ হয়ে উঠছে। আজ যারা গালিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে,কাল সেই অস্ত্র তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হবে-এটি বোঝা খুব কঠিন নয়।
রাজনীতিতে একটি বিপজ্জনক ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে-কঠোর হওয়া মানেই কুরুচিপূর্ণ হওয়া। আসলে তা নয়।
কঠোর রাজনৈতিক বক্তব্য হতে পারে অত্যন্ত শালীন। তীব্র সমালোচনা হতে পারে সম্পূর্ণ সভ্য। একজন রাজনীতিককে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার মতো শক্তিশালী যুক্তি উপস্থাপন করা যায় কোনো একটি গালিও ব্যবহার না করে। আবার একশটি গালি দিয়েও দুর্বল যুক্তিকে শক্তিশালী করা যায় না।
গালি যুক্তির বিকল্প নয়। বরং গালির ওপর নির্ভরশীলতা প্রায়ই যুক্তির দারিদ্র্যকে প্রকাশ করে। প্রশ্ন হলো, এই অবস্থায় সাধারণ নাগরিক যাবে কোথায়?
যে নাগরিক রাজনীতির বিষয়ে কথা বলতে চান কিন্তু কাউকে গালি দিতে চান না, তিনি কোথায় দাঁড়াবেন? যে তরুণ রাজনৈতিক মতভেদকে বিতর্কের মাধ্যমে প্রকাশ করতে চান,তাকে কি গালির স্রোতের সঙ্গে তাল মিলিয়েই কথা বলতে হবে? যে নারী রাজনীতির ভাষায় নিজের জায়গা তৈরি করতে চান,তাকে কি প্রতিদিন যৌন ও লিঙ্গবিদ্বেষী আক্রমণের মুখোমুখি হতে হবে? যে সাংবাদিক ক্ষমতাসীন ও বিরোধী-উভয়ের সমালোচনা করতে চান, তাকেও কি কোনো একটি পক্ষের গালির ভাষা ধার করতে হবে?
একটি গণতান্ত্রিক সমাজে এর উত্তর অবশ্যই 'না' হওয়া উচিত। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মতের বহুত্ব। সেখানে মানুষ একে অপরের সঙ্গে তীব্রভাবে দ্বিমত পোষণ করবে,প্রতিবাদ করবে,ব্যঙ্গ করবে, প্রশ্ন করবে, এমনকি কঠোর ভাষায় সমালোচনাও করবে। কিন্তু সেই বহুত্বের ভিত যদি পারস্পরিক মানবিক মর্যাদার ন্যূনতম স্বীকৃতিটুকুও হারিয়ে ফেলে, তখন গণতান্ত্রিক বিতর্ক ধীরে ধীরে জনতার চিৎকারে পরিণত হয়।
আমাদের মনে রাখতে হবে, আজ যে গালি আমরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দিচ্ছি, আগামীকাল একই ভাষা আমাদের বিরুদ্ধেও ব্যবহার হতে পারে। আজ যে অশ্লীলতাকে আমরা 'প্রতিবাদের ভাষা' বলে বৈধতা দিচ্ছি,কাল সেই অশ্লীলতাই আমাদের সন্তানদের ভাষা হয়ে উঠতে পারে।
আজ আমাদের সবচেয়ে বড় বিপদ সম্ভবত গালি নয়; গালির প্রতি আমাদের সংবেদনশীলতা হারিয়ে যাওয়া। আগে কোনো অশ্লীল বক্তব্য শুনলে আমরা অস্বস্তি বোধ করতাম। এখন অনেক সময় সেটি শুনে আমরা হাসি, শেয়ার করি, উপভোগ করি। আগে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারকারীকে সমাজের চোখে লজ্জিত হতে হতো। এখন কখনো কখনো সেই ভাষাই তাকে জনপ্রিয় করে তোলে।
এখানেই গভীর উদ্বেগের জায়গা। কারণ একটি সমাজ একদিনে অসভ্য হয়ে যায় না। প্রথমে সে একটি খারাপ আচরণকে সহ্য করে। তারপর সেটিকে মেনে নেয়। এরপর সেটিকে স্বাভাবিক বলে মনে করে। আর শেষ পর্যন্ত সেই আচরণকেই সংস্কৃতির অংশ বানিয়ে ফেলে।
আমরা কি সেই পথেই হাঁটছি? বাংলাদেশে কি সত্যিই গালিবাজদের একনায়কতন্ত্র কায়েম হয়ে গেছে-যেখানে তারা যা ইচ্ছা তাই বলবে, যাকে ইচ্ছা অপমান করবে,সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি থেকে সাধারণ নাগরিক-কেউই তাদের ভাষার আক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকবে না?
সম্ভবত এখনও পরিস্থিতি পুরোপুরি সেই জায়গায় পৌঁছেনি। কিন্তু লক্ষণগুলো ভয়ংকরভাবে দৃশ্যমান। তাই এখনই প্রশ্ন তোলা দরকার। এখনই সীমারেখা নির্ধারণ করা দরকার। রাষ্ট্রকে যেমন নাগরিকের বাকস্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে,তেমনি সমাজকেও বুঝতে হবে-বাকস্বাধীনতা আর বাক-সন্ত্রাস এক জিনিস নয়। প্রতিবাদ আর অপমান এক জিনিস নয়। রাজনৈতিক সমালোচনা আর ব্যক্তিগত কুৎসা এক জিনিস নয়।
Comments