রাবিতে মারধরের শিকার শিক্ষার্থীরাই গ্রেপ্তার, ‘মব’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রক্টর অফিস ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে মারধরের শিকার তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার রাতে শাহ মখদুম থানা পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গত রোববার এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ওঠে সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে। প্রক্টর দপ্তরে সালিশে মহসিনের পক্ষে আসা শিক্ষার্থীরা প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্যে জড়ান।
সোমবার প্রক্টর দপ্তরে মহসিনের সঙ্গে থাকা এক শিক্ষার্থীকে (আনাস) নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করে মারধর করা হয়। পরে তারা রাকসু ভবনে হামলা চালিয়েছেন—এমন অভিযোগে রাকসু ও শাখা শিবিরের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কয়েক দফায় মারধর করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ ও অন্যান্য প্রতিক্রিয়া
তদন্ত কমিটি: ঘটনার তদন্তে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম-২ কে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সংশ্লিষ্ট পাঠাগারটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
লাইব্রেরিতে ঢুকে মারধরের ঘটনাকে 'মব ভায়োলেন্স' আখ্যা দিয়ে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। অন্যদিকে, প্রক্টর দপ্তরে হামলার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছে শাখা ছাত্রদল।
Comments