জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: শান্তিরক্ষী বাড়াতে ও শীর্ষ পদের জন্য আহ্বান
জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ও পুলিশ সদস্যের সংখ্যা বাড়াতে এবং শীর্ষস্থানীয় পদগুলোতে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। স্থানীয় সময় সোমবার (৬ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের দুই আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গৌরবময় অবদান, পেশাগত দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে ল্যাক্রোয়ার সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 'পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেম'-এর আওতায় বাংলাদেশের একটি ফর্মড পুলিশ ইউনিটকে (এফপিইউ) 'র্যাপিড ডিপ্লয়মেন্ট লেভেলে' উন্নীত করার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি মিশন ও জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশিদের নেতৃত্বস্থানীয় পদে পদায়নের দাবি জানান। ল্যাক্রোয়া শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দক্ষ পুলিশ সদস্য পাঠাতে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকে স্বাগত জানান।
অন্যদিকে, জাতিসংঘের অপারেশনাল সাপোর্টবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল অতুল খারের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাইতিতে বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট মোতায়েন, উন্নত সরঞ্জাম, লজিস্টিকস ও নারী শান্তিরক্ষীদের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করেন। অতুল খারে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করে প্রয়োজনীয় অপারেশনাল সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের দুই আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। বৈঠকে তিনি যেসব দাবী জানান তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ও পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা বাড়াতে এবং বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট পাঠাতে জাতিসংঘের সমর্থন চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও ফিল্ড মিশনগুলোর শীর্ষ ও পেশাদার পদগুলোতে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মকর্তা নিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের একটি ফর্মড পুলিশ ইউনিটকে (এফপিইউ) 'র্যাপিড ডিপ্লয়মেন্ট লেভেলে' উন্নীত করার অনুরোধ করা হয়েছে। ল্যাক্রোয়া বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন।
হাইতিতে বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট মোতায়েন, আধুনিক সরঞ্জাম, রি-ইম্বার্সমেন্ট এবং নারী শান্তিরক্ষীদের জন্য লজিস্টিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অতুল খারে বাংলাদেশের জন্য সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
Comments