এনসিপিতে নতুনদের পদ বণ্টন: কে কোন পদে?
জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়া নবীন ও তরুণ নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় পদ বণ্টন করা হয়েছে। আপ বাংলাদেশ, এবি পার্টি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে আসা প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত রবিবার রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আক্তার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে দলে বরণ করে নিয়েছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
নতুন এই পদায়নে আলী আহসান জুনায়েদকে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া যুগ্ম সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক, রাফে সালমান রিফাত ও শাহরিন সুলতানা ইরা।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও স্থান পেয়েছেন ড. শামীম হামিদি, প্রকৌশলী আবু সাঈদ মো. নোমান, পুষ্টিবিদ মোহাম্মাদ রায়হানুল ইসলাম এবং ব্যারিস্টার ও পেশাজীবীসহ ৩২ জন নেতা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— আয়মান রাহাত, নাবিলা তাসনিদ, রাশেল উল ইসলাম, হাসান তানভীর, শাহাদাত হোসেন, ফারহানা শারমিন শুচি এবং আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া।
এনসিপিতে যোগদানের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক প্রতিক্রিয়ায় নবনিযুক্ত যুগ্ম সদস্য সচিব রাফে সালমান রিফাত বলেন, "জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং রাজনীতি সচেতন তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আজাদী নিশ্চিতের মাধ্যমে আমরা একটি বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে এনসিপিকে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে একটি শক্তিশালী ভিত্তি দেওয়া তাদের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তরুণ এবং পেশাজীবীদের এই অংশগ্রহণ এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করবে।
Comments