দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত আছে, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই: জ্বালানি বিভাগ
দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আগামী দুই মাস কোনো সংকটের সম্ভাবনা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বর্তমান মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সরকারের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের মজুত নিম্নরূপ: ডিজেল: ১ লক্ষ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন। জেট ফুয়েল: ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন। অকটেন: ৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন। পেট্রোল: ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন।
যুগ্মসচিব জানান, ঢাকার বাইরে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই এবং ঢাকার পাম্পগুলোতেও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। তিনি বলেন: প্যানিক বায়িংয়ের প্রয়োজন নেই: গত বছরের তুলনায় সরবরাহের পরিমাণ কমানো হয়নি, তাই আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রয়োজন নেই।: কলকারখানার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল সরবরাহে কোনো ঘাটতি বা প্রতিবন্ধকতা নেই। চাহিদা অনুযায়ী তালিকা ধরে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপসমূহ:
- বেসরকারি পর্যায়ে ১৪ লক্ষ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- লোহিত সাগরে সংকটের কারণে গত দুই মাস অপরিশোধিত তেল আনতে সমস্যা হলেও মে মাসের শুরুতে সৌদি আরব থেকে ভিন্ন রুটে এটি দেশে পৌঁছাবে।
- দেশের মোট চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ (১৫ লক্ষ মেট্রিক টন) জ্বালানি এই রিফাইনারিতেই পরিশোধন করা হয়।
প্রতি মাসের মতো মে মাসেও আন্তর্জাতিক বাজার ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হবে। বর্তমানে কোনো জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই।
Comments