জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনা বন্ধের আহ্বান
দেশে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের কোনো সংকট নেই এবং বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে সরকার। মূলত সাধারণ মানুষের মধ্যে 'প্যানিক বায়িং' বা আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনার প্রবণতা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধ মজুতের কারণেই বাজারে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র এবং যুগ্মসচিব মুনির হোসেন চৌধুরী এসব তথ্য জানান।
মুখপাত্র জানান, বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। দেশের দৈনিক চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পেট্রোলের দৈনিক চাহিদা ১,২০০ মেট্রিক টন এবং ডিজেলের দৈনিক চাহিদা ১,৪০০ মেট্রিক টন।
এছাড়া, ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য অপরিশোধিত তেল নিয়ে নতুন জাহাজ আসছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুসংহত করবে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে প্রায় ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
সেচ মৌসুমে কৃষকদের ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়ার তেল আমদানির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চিঠির জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। ইতিবাচক সাড়া মিললে আমদানির প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল না কেনার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Comments