আসন্ন বিপিজি’এ নির্বাচন ২০২৬-এ ফ্যাসিষ্টমুক্ত কমিটির প্রত্যাশা
প্রচলিত খেলার বাইরেও কিছু খেলা আমাদের দেশে জনপ্রিয়। তারমধ্যে গলফ্ একটি। খেলা বোঝার চেয়েও দেখার সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ থাকেন অনেকে। বাংলাদেশেও গলফ খেলোয়াড়ের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। এটি নিয়ন্ত্রণের জন্য রয়েছে পেশাদার সংগঠন, যা 'বাংলাদেশ প্রফেশনাল গলফারস এসোসিয়েশন (বিপিজিএ) নামে পরিচিত। ইতোমধ্যে সংগঠনে চলছে নির্বাচনী প্রস্তুতি।
দেশের পেশাদার গলফারদের শীর্ষ সংগঠন 'বাংলাদেশ প্রফেশনাল গলফারস এসোসিয়েশন (বিপিজিএ)' এর আসন্ন নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খোদ সংগঠনের ভিতরে ও বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জি এম কামরুল ইসলাম, যিনি বর্তমানে বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জি এম কামরুল ইসলাম ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ জন ও আস্থাভাজন। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তার পরিচিতি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচিত হয়েছে।
২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে মেয়র পদে নির্বাচন করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সে সময় জাতীয় পার্টি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক বলয়ের অংশ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল।
যদিও এ বিষয়ে জি এম কামরুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংগঠন সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি মনে করেন, দেশের গলফ প্রশাসনকে রাজনৈতিক বিতর্ক ও ব্যক্তি প্রভাবের ঊর্ধ্বে রাখা জরুরি। তাদের মতে, যে কোনো নির্বাচন হওয়া উচিত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদার গলফারদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার ওপর ভিত্তি করে।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা যেন কোনোভাবেই দেশের গলফ অঙ্গনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ না করে। ফ্যাসিষ্ট যেন আবার একীভূত হয়ে সংগঠন গিলে না খায়, নতুন যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি হয়। একই সঙ্গে নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া যেন স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং অংশীজনদের আস্থার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়, সে দাবিও জোরালো হচ্ছে।
Comments