প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করা অর্থ ফেরতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
নারায়ণগঞ্জে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করা অর্থ ফেরতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
দুপুরে নারায়ণ জেলার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন রাহাবার এগ্রোর স্বত্তাধিকারী ইসমাইল হোসেন রতন। তিনি জানান, ব্যবসার লেনদেনের এক পর্যায়ে পাওনা টাকা দিতে তালবাহানা শুরু করেন অভিযুক্ত মহাদেব চন্দ্র সাধু। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ফেরত না দেওয়ায় ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট ফতুল্লা থানায় মামলা হয়। পরে মহাদেব চন্দ্র সাধু ও অন্যান্য আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করে আদালত থেকে এই মর্মে জামিন নেন যে, তারা অবিলম্বে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করবেন এবং বাকি টাকা ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫-এর মধ্যে বুঝিয়ে দেবেন। আদালতে প্রতিশ্রুত সেই টাকা এখনও ফেরত দেননি মহাদেব চন্দ্র ও সহযোগীরা। উল্টো মামলা ও হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।
তার দাবি, অভিযুক্ত মহাদেব চন্দ্র সাধু দীর্ঘদিন ধরে রাহাবার এগ্রোসহ দেশের অসংখ্য ব্যবসায়ীর সাথে প্রতারণা করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ১১৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে হত্যা, ধর্ষণ, ও প্রতারণার মতো গুরুতর অপরাধের মামলা অন্তর্ভুক্ত। ইতিমধ্যে ১২-১৩টি মামলায় আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত আসামি মহাদেব। এতো বিপুল সংখ্যক মামলা এবং সাজা থাকা সত্ত্বেও সে রহস্যজনকভাবে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে এবং বহাল তবিয়তে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইসমাইল হোসেন রতন জানান, পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো মহাদেব চন্দ্র সাধু মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির কৌশল নিয়েছেন।
৬ ফেব্রুয়ারি মহাদেব সাধু তার ভাগ্নে শুভাশীষ এবং চক্রের অন্যান্যরা মিলে খুলনা থেকে একটি 'সাজানো অপহরণ নাটক' মঞ্চস্থ করেন। এই সাজানো ঘটনায় রাহাবার এগ্রোর স্বত্বাধিকারী ইসমাইল হোসেন রতনকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এই মামলায় তাকে ঈদের আগে ১০ দিন জেল খাটতে হয়েছে। জেল থেকে বের হওয়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় ১৯ মার্চ সাতক্ষীরা সদর থানায় তার বিরুদ্ধে আবারও একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এমতাবস্থয় অবিলম্বে পাওনা টাকা ফেরত এবং প্রতারকের শাস্তি দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন রতন।
Comments