ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের সাফল্য
দূরদর্শী বিনিয়োগ ও সঠিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশের আর্থিক খাতের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কোম্পানিটি গুলশানে অফিস ভবন, গাজীপুরে জমি ও সরকারি ট্রেজারি বন্ডে (বিজিটিবি) বিনিয়োগ করে যে মাইলফলক অর্জন করেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।
প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স পূর্বে প্রায় ৬ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে গুলশান এলাকায় ১১.৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে। পরে কোম্পানি নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করে আট (৮) তলা বা ৩২৫৯২ বর্গফুটের একটি আধুনিক ভবন। বর্তমানে ভবনটির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা, যা মাত্র কয়েক বছরে বহুগুণ বেড়েছে। কোম্পানি নিজেদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য ভবনের কিছু ফ্লোর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় এবং বাকি ফ্লোর ভাড়া দিয়ে নিয়মিত আর্থিক সুবিধা অর্জনের মাধ্যমে কোম্পানিকে সাফল্যের ভিত্তি আরও মজবুত করার চেষ্টা থাকবে।
২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানায় (গাজীপুর) ৩৩০ শতাংশ জমি ২৮ কোটি টাকায় ক্রয় করে কোম্পানি। সম্প্রতি সরকার কালীগঞ্জকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে; যার ফলে জমিটির মূল্য এখন আনুমানিক শত কোটি টাকা। এটি কোম্পানির জন্য এক বিশাল অর্জন।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানি বিজিটিবি (বাংলাদেশ সরকারি ট্রেজারি বন্ড) ক্রয় করেছে ১৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। যা ১১.৫০% হারে মাসিক আয় প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা।
প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ভবন, জমি ও বিজিটিবি ক্রয় করে ব্যবসা পরিচালনা করছে—যা একটি অনুকরণীয় কৌশল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব সম্পদের সঠিক সময়ে ক্রয় ও বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোম্পানিটি ভবিষ্যতে আরও মুনাফার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের এ অর্জন বিনিয়োগকারীদের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে।
Comments