অপহরণের ৩ দিন পর শিশু উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেপ্তার
গোপালগঞ্জে অপহরণের ৩ দিন পর সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা সীমান্ত এলাকা থেকে অপহৃত শিশু সাজিম শিকদার ইয়াছিনকে (১২) উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় মুন্না শিকদার (৩০) নামের এক অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) রাতে সাতক্সীরা জলোর ভোমরা স্থল বন্দর এলাকা থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) বিকালে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিসযটি নিশ্চিত করেছেন।
অপহরণের শিকার শিশু সাজিম শিকদার ইয়াছিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের আকাশ শিকদারের ছেলে।
অপরদিকে, অপহরণকারী মুন্না শিকদার কোটালীপাড়া উপজেলার কাকডাঙ্গা গ্রামের লালন সিকদারের ছেলে।
ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, আকাশ শিকদারের দূর সম্পর্কের আত্মীয় মুন্না শিকদার গত ০৬ অক্টোবর রাত ৮ টার দিকে বাসার পাশে একটি দোকান থেকে খাবার কিনে দেওয়ার কথা বলে সাজিম নিয়ে যায়। পরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে অপহরণ করে। অপহরনের পর মুন্না বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে শিশুটির পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। অন্যথায় সাজিমকে মেরে পেলার হুমকী দেয়। এ ঘটনার পর শিশুটির পিতা আকাশ সিকদার গোপালগঞ্জ সদর থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা স্থল বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু সাজিমকে উদ্ধার ও অপহরণকারী মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।
ওসি আরো জানান, সাজিমকে প্রথমে গোপালগঞ্জ থেকে ট্রেনে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয। পরে ভারতে পাচার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় সাতক্ষীরায়।
অপহরণের শিকার শিশু সাজিম শিকদার ইয়াছিন বলেন, আমাকে খাবার কেনার কথা বরে নিয়ে যায়। এরপর আমকে সাতক্ষীরায় নিয়ে যায। সেখান থেকে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে। বাকী আসামদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলবে বলেও জানান তিনি।
অপহরণের শিকার শিশু সাজিম শিকদার ইয়াছিনের বাবা আকাশ শিকদার বলেন, দূর সম্পর্কের আত্মীয় মুন্না শিকদার আমার ছেলে সাজিম নিয়ে যায়। পরে পর মুন্না বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। অন্যথায় সাজিমকে মেরে পেলার হুমকী দেয়। পরে পুলিশ আমার ছেলেকে উদ্ধার করে।
Comments