কচু বা শাক খেয়ে গলা চুলকালে যা করবেন
কচু শাক কিংবা ওল কচু- দুটিই বাঙালির পরিচিত ও পছন্দের খাবার। স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে অনেকেই নিয়মিত কচু খান। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে কচু খাওয়ার পর গলায় চুলকানি, খসখসে অনুভূতি কিংবা গলা আটকে আসার মতো অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
কচু খাওয়ার পর এমন হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এতে থাকা ক্যালসিয়াম অক্সালেটের সূক্ষ্ম স্ফটিক। এগুলো অনেকটা অতি ক্ষুদ্র সুঁচের মতো। কচু ঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত বা রান্না না হলে এসব স্ফটিক মুখ ও গলার নরম টিস্যুতে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
গলায় চুলকানি বা অস্বস্তি হলে অনেকে ঘরোয়া কিছু উপায় অনুসরণ করেন। যেমন-
ভিনেগার: হালকা গরম পানিতে অল্প ভিনেগার মিশিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে। তবে সরাসরি বা অতিরিক্ত ভিনেগার পান করা উচিত নয়।
মধু: এক চামচ মধু ধীরে ধীরে খেলে গলার শুষ্কতা ও অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে। এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না।
গুড় বা মিছরি: কচুর পদ খাওয়ার পর অল্প গুড় বা মিছরি খেলে মুখে লালা নিঃসরণ বাড়তে পারে, যা সাময়িক অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কচু ভালোভাবে রান্না করা। রান্নার আগে কচু পরিষ্কার করে কেটে পর্যাপ্ত সময় সিদ্ধ বা ভাপিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে সেই পানি ফেলে দেওয়া যেতে পারে। রান্নার সময় টকজাতীয় উপাদান যেমন লেবুর রস, আমচুর বা টকদই ব্যবহার করার প্রচলনও রয়েছে।
কচু খাওয়ার পর যদি শুধু সামান্য চুলকানি নয়, বরং ঠোঁট, জিহ্বা বা গলা ফুলে যায়, শ্বাসকষ্ট হয় কিংবা গিলতে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
Comments