সৌদির তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা, দুই বিদেশি নাগরিক নিহত
সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। হামলার পেছনে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হাত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ড্রোন প্রতিহত করে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। পরে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুই বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহতদের একজন ফিলিপাইনের এবং অন্যজন নেপালের নাগরিক। আহত দুজনের মধ্যে একজন পাকিস্তানি ও অন্যজন ভারতীয়।
এর আগেও সৌদি আরবে ড্রোন প্রতিহত করার পর ধ্বংসাবশেষের আঘাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত মাসে এমন ঘটনায় দেশটিতে বসবাসরত এক ইয়েমেনি নাগরিক নিহত হন। চলতি মাসের শুরুর দিকে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনেও হামলা হয়। এতে সেখানে সামান্য অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এদিকে হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় দীর্ঘ চার বছরের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়েছে। এতে ইয়েমেনের সংঘাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
অন্যদিকে, সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের একাধিক হামলার পর গত ১০ অক্টোবর থেকে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। বুধবার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমানবন্দরটি আবার চালু করা হয়।
ফ্লাইট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস বিমানবন্দরটিতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে লুফথানসা ও এয়ার ফ্রান্সের মতো কয়েকটি বড় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তাদের ফ্লাইট বাতিল রেখেছে।
সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস
Comments