ঘরের মাঠে সাফ, প্রত্যাশার চাপ সামলাতে পারবে তো বাংলাদেশ?
দীর্ঘ ২৩ বছর অপেক্ষার পরে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, আর বাংলাদেশের সামনে শিরোপা জয়ের নতুন সুযোগ। কিন্তু সদ্য শেষ হওয়া ফিফা আসিয়ান কাপে বড় দলগুলোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্স চিন্তা বাড়িয়েছে সমর্থকদের।
বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের হার সামনে এনেছে রক্ষণভাগের দুর্বলতা ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার বাস্তবতা। এরপরও ঘরের মাঠ, সমর্থকদের সমর্থন, অভিজ্ঞ ও প্রবাসী ফুটবলারদের উপস্থিতি-সব মিলিয়ে নতুন আশায় বুক বাঁধছে বাংলাদেশ।
আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে বসছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে পরের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় সমর্থকদের বাড়তি সমর্থন পাওয়ার সুযোগ থাকছে দলের সামনে।
বাংলাদেশে আশার জায়গা-দলে রয়েছে অভিজ্ঞ ফুটবলার, প্রবাসী খেলোয়াড় এবং সম্ভাবনাময় তরুণদের সমন্বয়। হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া, শামিত সোম ও অন্যদের উপস্থিতি দলের শক্তি বাড়াতে পারে।
তবে মাঠে নামার আগেই তৈরি হয়েছে কিছু অনিশ্চয়তা। কোচ থমাস ডুলির তথ্য অনুযায়ী, হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদ প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না; তারা ৯ নভেম্বরের দিকে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা। ফলে প্রথম ম্যাচে দলীয় ভারসাম্য ধরে রাখাই হবে বড় পরীক্ষা।
সাফে বাংলাদেশের সামনে যেমন শিরোপা জয়ের স্বপ্ন, তেমনি রয়েছে নিজেদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার কঠিন পরীক্ষা। ঘরের মাঠে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে শুধু ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, প্রয়োজন দলগত সংহতি, রক্ষণে শৃঙ্খলা এবং সুযোগ কাজে লাগানোর সক্ষমতা। ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটবে কি না, তার উত্তর দেবে মাঠের পারফরম্যান্স।
Comments