৫ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
পাঁচ দিনের সরকারি যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সফরসঙ্গীরা। এর আগে স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার পথে রওনা হন তিনি।
সফরকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া এই ভাষণে তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের উদ্যোগকে সমর্থন এবং সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর। জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরা। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। সরকারের 'রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন' (থ্রি-আর) কৌশলের কথাও জানান তিনি। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনকে একমাত্র সমাধান হিসেবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো সহযোগিতা কামনা।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অন্যান্য কর্মসূচি
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে বৈঠক। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা। এছাড়া ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও পৃথক বৈঠক হয়। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে সাক্ষাৎ।
২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্ত্রীসহ যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
Comments