মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ ভ্রমণ ব্যয়ে ৭টি কঠোর নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদের
সরকারি অর্থে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের দেশ ও বিদেশি সফরের ভ্রমণ ব্যয় এবং অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি খরচে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে এসংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
ভ্রমণ শেষে প্রকৃত ব্যয় তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট কাগজপত্রসহ বিল দাখিল করতে হবে। বৈদেশিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানের অনুমোদিত সারসংক্ষেপের কপি এবং অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের ক্ষেত্রে অফিস আদেশের কপি বিলের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এছাড়া যানবাহন ও বিমানের ভাড়ার ক্ষেত্রে টিকিটের সঙ্গে বোর্ডিং পাস এবং হোটেল ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিশোধিত বিল ও ভাউচার জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদেশ ভ্রমণের ব্যয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি টাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের বিবরণী এবং অন্যান্য খরচের সব ভাউচার বা প্রমাণক দিতে হবে।
সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপে উল্লিখিত ভ্রমণকালের চেয়ে অতিরিক্ত সময় কেউ ভ্রমণ করলে, তার জন্য অবশ্যই পুনরায় অনুমোদন নিতে হবে। অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
অগ্রিম অর্থ নিয়ে ভ্রমণ সম্পন্ন করার পর এক মাসের মধ্যে অবশ্যই অগ্রিম সমন্বয় বিল দাখিল করতে হবে। কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর আগের ভ্রমণের অগ্রিম বিল সমন্বয় করা না থাকলে, তাঁর পরবর্তী কোনো ভ্রমণের জন্য অর্থ বরাদ্দ বা অনুমোদন দেওয়া হবে না।
নথি ব্যবস্থাপনা ও অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সহজ করতে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বিল দাখিল করতে হবে এবং মোট তিন সেট নথি বা কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
Comments