মন্ত্রিসভায় মিলনের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরপরই এখন আলোচনায় বিএনপির মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিবিসি বাংলা এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর বরাত দিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপির নয়া মন্ত্রিসভায় পুরোনোদের পাশাপাশি থাকছে নতুন মুখ। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি তাদের মন্ত্রিসভার আকার প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। তাতে অভিজ্ঞ ও তরুণ, নির্বাচিতদের পাশাপাশি টেকনোক্রেট কোটায়ও যুক্ত হচ্ছেন কেউ কেউ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। স্পিকার হিসেবে ড. আব্দুল মঈন খান, স্পিকার হিসেবে ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাসকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনাধীন। এ ছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে স্থায়ী কমিটি এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় নয়া মুখ হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে রুহুল কবির রিজভী (টেকনোক্র্যাট), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানির নাম বিবেচনায় আছে।
চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন ও আইনজীবী ফজলুর রহমানও আলোচনায় রয়েছেন। ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নুর, ড. রেজা কিবরিয়া ও মোস্তফা জামাল হায়দারের নাম আলোচনায় আছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৯৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয়ী হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি দুই দশক পর ফের সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব এখন তার ছেলে তারেক রহমানের কাঁধে। দলীয় প্রধান হিসেবে তিনিই হতে যাচ্ছেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী।
Comments