হাসানের হ্যাটট্রিক, আফগানিস্তানকে গুঁড়িয়ে লিড বাংলাদেশের
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশের দুই পেসার এবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ। তৃতীয় দিনের শুরুতে এবাদতের উইকেট শিকারের পর হাসানের বিধ্বংসী বোলিংয়ে দ্রুত গুটিয়ে যায় আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস। মাত্র ২৯ রান যোগ করতেই শেষ ছয় উইকেট হারিয়ে ২৪০ রানে অলআউট হয় তারা।
আবুধাবিতে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ৩৪৬ রানের জবাবে আফগানিস্তান থামে ২৪০ রানে। ফলে প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ ৫৫ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট নেন। অন্যদিকে এবাদতের শিকার চার উইকেট।
তৃতীয় দিনের খেলা শুরুতে আফগানিস্তানের হয়ে অপরাজিত ছিলেন রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। আগের দিনের সংগ্রহের সঙ্গে নতুন করে রান যোগ করার আগেই আলিখিলকে বোল্ড করে ৮০ রানের জুটি ভাঙেন এবাদত।
এরপর ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দেন হাসান মাহমুদ। পরপর তিন বলে ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ ও জিয়া উর রেহমানকে ফিরিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে হ্যাটট্রিক করা প্রথম পেসার হলেন হাসান। সব মিলিয়ে দেশের তৃতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি।
এর আগে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি ও সোহাগ গাজী। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে কাপালি এবং ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গাজী এই কীর্তি গড়েন। দুজনই ছিলেন স্পিনার।
হ্যাটট্রিকের পরও থামেনি হাসানের দাপট। ইয়ামিন আহমদজাইকে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই পেসার। টেস্ট ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের তৃতীয়বারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি।
শেষ ব্যাটার সালিম সাফিকে আউট করে আফগানিস্তানের ইনিংসের সমাপ্তি টানেন এবাদত। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করেন আফগান অধিনায়ক রহমত শাহ। ২১৬ বলে ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। প্রতিবেদন লেখার সময় পাঁচ ওভারে বিনা চাপে ২৮ রান সংগ্রহ করে দলটি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের লিড বেড়ে দাঁড়ায় ১৩৪ রানে।
Comments