June 27, 2017, 9:40 am | ২৭শে জুন, ২০১৭ ইং,মঙ্গলবার, সকাল ৯:৪০

‘সঞ্জয় দত্ত এক জন পথভ্রষ্ট শিশু’

agneepath-25jan-2ঢাকা জার্নাল: কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দিগ্বিজয় সিং বলেছেন ‘সঞ্জয় দত্ত সন্ত্রাসবাদী মানুষ নন৷ বরং তিনি নিতান্তই এক জন পথভ্রষ্ট শিশু৷’ এ কথা বলেই বলিউডের খলনায়কের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেন ৷ তবে তার এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে আরএসএস সহ অনেকেই৷

রোববার দিগ্বিজয় বলেন, ‘সঞ্জয় দত্তকে দাগি অপরাধী বা সন্ত্রাসবাদী বলা যায় না৷ ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল৷ সে সময় একটি শিশু যে ভাবে আত্মরক্ষার চেষ্টা করত, সঞ্জয়ও তাই করেছেন৷ তিনি হয়তো ভেবেছিলেন, সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী বক্তব্য রাখার জন্য তার বাবা সঞ্জয় দত্তের উপর হামলা হতে পারে৷ এটা ঠিক যে ওর ভুল হয়েছিল৷ ১৮ মাস জেলে কাটিয়ে সেই ভুলের মাসুলও দিয়েছেন তিনি৷’

তবে সঞ্জয়ের সাজা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কংগ্রেসের মুখপাত্র রশিদ আলভি৷ তার কথায়, ‘সঞ্জয়ের তরফে ক্ষমার আবেদন দায়ের হলে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতি তা বিবেচনা করে দেখবেন৷ এ বিষয়ে মন্তব্য করা আমার এক্তিয়ারের বাইরে পড়ে৷’ আরএসএস নেতা এম জি বৈদ্যের বক্তব্য, ‘সঞ্জয়ের অপরাধ গুরুতর৷ তাকে ক্ষমা করা উচিত হবে না৷’ সংগঠনের মুখপত্র ‘পাঞ্চজন্য’-তে লেখা হয়েছে, ‘সঞ্জয়ের কারাদণ্ড নিয়ে অযথা হা-হুতাশ চলছে৷ অপরাধের তুলনায় তার যথেষ্ট কম সাজা হয়েছে৷’

১৯৯৩-এর মুম্বাই বিস্ফোরণের সময় বেআইনি অস্ত্র রাখার অপরাধে সম্প্রতি সঞ্জয়কে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ এর আগে প্রায় দেড় বছর কারাবাস করার ফলে আর সাড়ে তিন বছর তাকে জেল খাটতে হবে৷ শনিবার সঞ্জয়ের বোন প্রিয়া একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘জেলে থাকার উদ্দেশ্য যদি সংশোধন ও কৃতকর্মের শাস্তি পাওয়া হয়, তা হলে সঞ্জয়ের ক্ষেত্রে দু’টোই হয়েছে৷ ২০ বছর চরম অনুশোচনা আর উদ্বেগের মধ্যে কাটিয়েছেন তিনি৷ জীবনের অনেকটা সময় এ ভাবেই সাজা পেয়েছেন৷ শীর্ষ আদালতের নির্দেশ আমরা মেনে নিয়েছি৷ পরিবার হিসেবে একজোট হয়ে পরস্পরকে সাহস আর শক্তি যোগানোর চেষ্টা করছি৷’

১৯৯৩ সালে টাডা আদালতে সঞ্জয়ের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ১৯৯১ সালে দুবাইয়ে সিনেমার শুটিং চলাকালীন তার সঙ্গে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম ও তার ভাই আনিসের পরিচয় করিয়ে দেন প্রযোজক ফিরোজ খান৷ আলাপ হয় ম্যাগনাম ভিডিও সংস্থার মালিক হানিফ কাদাওয়ালা ও সমীর হিঙ্গোরার সঙ্গেও৷ তাদের প্ররোচনাতেই সালেম নামে এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় অপর এক অপরিচিতের কাছ থেকে একটি একে-৫৬ রাইফেল ও একটি নাইন এমএম পিস্তল কেনেন সঞ্জয়৷ তার মুম্বাইয়ের বাড়িতেই লেনদেন সারা হয়৷

সূত্র: ওয়েবসাইট।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *



এই পাতার আরো খবর -

জার্নাল