June 28, 2017, 11:33 am | ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং,বুধবার, সকাল ১১:৩৩

রাতেই লক্ষাধিক পৌঁছেছে, আশ্রয় নিচ্ছে নগরীর সীমানা এলাকায়

jamat-smsm20130404183758ঢাকা জার্নাল: বৃহস্পতিবার রাতই পৌছেছে লক্ষাধিক লোক। হেফাজতে ইসলামের নামে আসা এই লোকজন বিভিন্ন মাদ্রায় অশ্রয় নিচ্ছে। তবে সরাসরি রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে নয়, সীমানা ঘেঁষে।

উত্তরা, ভাটারা, বারিধারা, খিলগাঁও এলাকার মাদ্রাসাগুলোতে তারা অবস্থান নিয়েছে। হেফাজতে ইসলামের লোকজনের মধ্যে সন্দেহজনক লোকজনের উপস্থিতি রয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি করা হয়েছে।

সন্দেহজনক আচরণের কারণে ভাটারা থানা পুলিশ দুইজনকে আটক করে পরে ছেড়েও দিয়েছে। তবে দাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখছে পুলিশ।   

সন্দেহজনক অচারণে ভাটারা থানার তরুণ এসআই ফরিদুল ইসলাম লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত এক যুবককে আটক করেন। এসময় একজন হুজুর গোছের লোক পুলিশকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাকেও আটক করে ভ্যানে তুলে নেয় পুলিশ।

তারা কোথায় যাবেন, নিজেরাই সঠিক জানেন না। এতো রাতে কোথায় যাবেন, জানতে চাইলে তাদের একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে।

এ অবস্থা শুধু বারিধারায় নয়। নগরীজুড়েই চলছে। গাবতলীতেও বাস থেকে হাজার হাজার লোক নেমেছেন রতেই। রাতভর রাজধানীতে লক্ষাধিক লোক এসে পৌঁছাবেন বলে জানান বহিরাগতদের কয়েকজন।

তারা জানান, ৬ এপ্রিল লংমার্চে যোগ দিতেই তাদের ঢাকায় আসা। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে হরতাল থাকায় বৃহস্পতিবারই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা। 

প্রসঙ্গত, হেফাজতে ইসলামের ৬ এপ্রিলের লংমার্চে যোগ দিতে রাজধানীতে আসবে লাখ লাখ লোক। এদের মধ্যে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা থাকবে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা।

এর আগেও হেফাজতের কর্মসূচিতে জামায়াত-শিবির সহিংসতা চালায়। বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তারা।

তবে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘যেখানেই সহিংসতা সেখানেই ব্যবস্থা’’।

ঢাকা জার্নাল, মার্চ ৫, ২০১৩ 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *



এই পাতার আরো খবর -

জার্নাল