June 24, 2017, 1:08 pm | ২৪শে জুন, ২০১৭ ইং,শনিবার, দুপুর ১:০৮

‘কপ-১৯’ বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন ১১ নভেম্বর

cop19ঢাকা জার্নাল: আগামী ১১ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ’তে ১৯তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন ‘কপ-১৯’ অনুষ্ঠিত হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষে বাংলাদেশ এই সম্মেলনে নেতৃত্ব দেবে।  
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহামুদ এ কথা বলেন।
তিনি জানান, ২০২০ সাল থেকে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার আদায় করতে এ সম্মেলনে জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে জোর দাবি করা হবে।
এছাড়া জাতীসংঘের উদ্বাস্তু সজ্ঞা পুন:নিধারণ করার দাবিসহ মোট ৯টি দাবী তুলে ধরা হবে।
মন্ত্রী বলেন, এবারের জলবায়ু সম্মেলনে নেগোসিয়েশনের পাশপাশি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি সাইড ইভেন্টসহ একাধিক প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হবে। জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ৯ দফা দাবি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করে ২০১৪ সাল থেকে কার্যকরভাবে ফান্ড চালু করা হবে।
জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে সর্বপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত সহায়তা প্রদানের জন্য ৩০ থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার দিয়ে শুরু করে তা বাড়িয়ে ২০২০ সাল নাগাদ ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার কমিটমেন্ট আদায় করা হবে।
২০২০ সাল থেকে প্রতিবছর ১০০ ডলার সংস্থানের জন্য সুনির্দিষ্ট উৎস, পদ্ধতি নির্ধারণ এবং এ বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থার দাবি তুলে ধরা হবে।
২০১৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশনের আওতায় আইনগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে যে নতুন বিশ্ব চুক্তি হবে তার কাঠামো, বিষয়বস্তু, আঙ্গীকার সময়সীমা ইত্যাদি আইনগত বিষয় সুনির্দিষ্ট করা হবে সম্মেলনে।
এছাড়া জলবায়ু সম্মেলনে উত্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ আরো পাঁচটি দাবি সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন ড. হাসান মাহমুদ।
ঢাকা জার্নাল, নভেম্বর ৭, ২০১৩।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *



এই পাতার আরো খবর -

জার্নাল