সারা দেশে কালো পতাকা মিছিলের ঘোষণা বিএনপির

জানুয়ারি ২৭, ২০২৪

‘অবৈধ ডামি’ সংসদ বাতিল ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে দেশের সব মহানগর, থানা, জেলায়, উপজেলায় মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিলের ঘোষণা করেছে বিএনপি। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) নয়া পল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা মিছিল শুরুর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এই ঘোষণা দেন।

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ‘ডামি ও প্রহসনের নির্বাচনে’ অবৈধ সংসদ বাতিলের দাবিতে এই কালো পতাকা মিছিল বের করে বিএনপি।

মিছিলের আগে দেওয়া বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের সরকার নয়। তাই এই সরকার আমরা মানি না। আমাদের অনেক লড়াই। বাঁচার লড়াই, ভোটের লড়াই। তার সঙ্গে রয়েছে সংবিধান ও সার্বভৌমত্বের লড়াই। রাজপথে যখন নেমেছি, রাজপথে থেকেই আমাদের অধিকার আদায় করতে হবে।

২৮ অক্টোবরের পর প্রথমবারের মতো দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিলেন গয়েশ্বর।

২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর দলীয় মহাসমাবেশে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের পর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকে গ্রেফতার করা হলে বাকি নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। এর পর বিভিন্ন সময় জেলের বাইরে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকলেও একেবারেই আড়ালে ছিলেন দলের অন্যতম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়কে চন্দ্র রায়। প্রায় তিন মাস পর নয়া পল্টনে দলীয় কালো পতাকা মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন দলের এই কেন্দ্রীয় নেতা।

বেলা দুই২টায় মিছিল শুরু কথা থাকলেও বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কালো পতাকা মিছিলের উদ্বোধন করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। মিছিলটি বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটেঙ্গেল রেস্টুরেন্ট মোড় হয়ে ফকিরাপুল, আরামবাগ মোড় হয়ে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

এর আগে নয়া পল্টনে মিছিল উপলক্ষে কালোপতাকা ও ব্যানার হাতে বিএনপি ঢাকা ও এর আশপাশ বিভিন্ন ইউনিটের হাজার হাজার নেতাকর্মী সমবেত হন।

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ ও সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর পরিচালনায় সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, এজেডেএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন বক্তব্য রাখেন।