July 23, 2017, 8:53 pm | ২৩শে জুলাই, ২০১৭ ইং,রবিবার, রাত ৮:৫৩

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে এবার সুজনের প্রস্তাব

484545_111168172364754_223660143_nঢাকা জার্নাল: নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের লক্ষ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতিদের দিয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে নাগরিকদের একটি সংগঠন।

কোন ধরনের সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে- এই প্রশ্নে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের বিরোধের মধ্যে সুশাসনের জন্যে নাগরিক বা সুজন বলছে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন না হলে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিরোধী বিএনপি এই প্রস্তাব সমর্থন করলেও সরকারী দল আওয়ামী লীগ তা নাকচ করে দিয়েছে। এর আগে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবিও সংসদ সদস্যদের দিয়ে অনুসন্ধান কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলো।

টিআইবি বলেছিল, এই নিরপেক্ষ সরকার গঠনের জন্য সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে।

সুজনের প্রস্তাবিত কাঠামো

এবার সুজন নতুন কাঠামো দিয়ে বলছে, অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে হবে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে।

সংগঠনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘সাবেক প্রধান বিচারপতিদের কিছু পাওয়ারও নেই, হারানোরও নেই। তারা একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ কিংবা পনেরোজন উপদেষ্টা বেছে নিতে পারবেন।’

‘তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হতে হবে। তা নাহলে এই নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে না এবং সেটি গ্রহনযোগ্য হবে না’, বলেন ড. বদিউল আলম মজুমদার।

তাঁর এই বক্তব্যের সাথে একমত বিরোধী দল বিএনপি। তবে এ ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হবার কোনো পরিবেশ এখন আর নেই বলে উল্লেখ করছেন দলটির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

ড. মোশারফ তিনি বলেন, ‘তারা বলছে ঐকমত্যের ভিত্তিতে। এটা হলে তো সোনায় সোহাগা। কিন্তু বর্তমান সরকারতো অনড়। তারা তাদের অধীনেই নির্বাচন করবে। তারা তো ঐকমত্যের ব্যাপারে কিংবা আলোচনার ব্যাপারে আন্তরিক নয়।’

এর আগে টিআইবির প্রস্তাব বাতিল করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এধরণের ফর্মুলা শুধু জটিলতা তৈরি করে। সুজনের এবারের প্রস্তাব প্রসঙ্গেও একই পথে হাঁটছে সরকারী দল।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলছেন, ‘রাজনীতিবিদদের রাজনীতি করতে দেয়া উচিত। বাংলাদেশের মানুষ যখন রাজনীতিবিদদের নির্বাচিত করে তাদের উপরে ভরসা করেছে সেখানে আমাদের দেশের তথাকথিত কিছু সুশীল সমাজ রাজনীতিবিদদের বিচলিত করবার জন্য প্রতিদিন একটা করে ফর্মুলা বের করছেন’।

তবে সুজন সম্পাদক বলছেন, ‘আমরা নাগরিক হিসেবে মনে করি আমাদের দায়িত্ব সত্য কথাটা বলা। সমাধানের কথা বলা। সরকারী দলের একগুঁয়েমীর কারনে যদি আমরা নিরুৎসাহিত হই তাহলে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি না’।

সূত্র: বিবিসি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *



এই পাতার আরো খবর -

জার্নাল