June 23, 2017, 2:35 am | ২২শে জুন, ২০১৭ ইং,শুক্রবার, রাত ২:৩৫

জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি নাগরিক সমাজের

0,,15487824_4,00ঢাকা জার্নাল: জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে এবার মাঠে নামছে নাগরিক সমাজ৷ তারা আগামী বিশে এপ্রিল ঢাকায় এই দাবিতে জাতীয় সম্মেলন করবেন৷ অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল জানান, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার এখনই সময়৷

‘রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ এই নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন নাগরিক সমাজে প্রতিনিধিরা৷ এখানে সব পেশা ও শ্রেণির মানুষের সমাবেশ ঘটানো হয়েছে৷ আগামী ২০শে এপ্রিল জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে তারা সম্মেলন করবেন ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে৷ পর্যায়ক্রমে ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরগুলোতেও সম্মেলন করা হবে৷

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এছাড়াও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা, সাম্প্রতিক সহিংসতা প্রতিহত ও আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেয়া, মুক্তচিন্তার পথ খোলা রাখা, বাংলাদেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর পাঁয়তারা প্রতিহত এবং নারীর অধিকার সমুন্নত রাখা তাদের অন্যতম দাবি৷

সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন৷ অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল জানান, জামায়াত-শিবির সাংগঠনিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাই শুধু করেনি তাঁরা গণহত্যা, ধর্ষণ ও লুটপাটের মত মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছে৷ তাই শুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নয়, সংগঠন হিসেবে জামায়াত-শিবিরের বিচার করতে হবে৷

আর সাম্প্রতিক সময়ে তারা যে সহিংসতা করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য৷ তারা মানুষ খুন করেছে, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে, সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দিয়ে তাদের নির্যাতন করেছে৷ তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে নারী, সংখ্যালঘু এবং পুলিশ৷ তাই এ ধরণের একটি সংগঠনকে কোনোভাবেই বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেয়া যায়না বলে তিনি মনে করেন৷

সংগঠকদের আরেকজন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. এ আরাফাত জানান, জামায়াত-শিবির সন্ত্রাসী এবং জঙ্গি সংগঠন৷ তারা তাদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তা প্রমাণ করেছে৷ তাই একাত্তরের অপরাধ বাদ দিলেও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জামায়াতের রাজনীতি চলতে পারেনা৷

আরাফাত আরও জানান, ঢাকার এই সম্মেলনে সারাদেশ থেকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন৷ সম্মেলনে খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বুদ্ধিজীবীরা থাকবেন৷ সম্মেলনের পর তাদের সামাজিক আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে৷

তিনি বলেন, জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করা সরকারের দায়িত্ব৷ কিন্তু নাগরিক হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব আছে৷ তাই মানুষের মধ্যে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে তারা কাজ করবেন৷

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *



এই পাতার আরো খবর -

জার্নাল